#DYOR DYOR significa "Haz tu propia investigación". Es un lema fundamental en criptomonedas, inversión y finanzas personales que recuerda a las personas verificar los hechos de forma independiente en lugar de depender del bombo de las redes sociales, influencers o consejos no solicitados. Por qué importa hacer DYOR Protección contra estafas: el espacio de las criptomonedas y el trading conlleva riesgos elevados de estafas de tipo "rug pull", fraudes de phishing y esquemas de pump-and-dump diseñados para explotar la exageración. Mitigar la desinformación: los influencers en línea a menudo tienen acuerdos promocionales pagados (interés financiero no divulgado) para comercializar tokens o productos específicos.
তোমার হাত দিয়ে একটা মুষ্টি তৈরি করো। শক্ত করে চেপে ধরো। এখন সেই মুষ্টির ভেতরে কিছু ঢোকানোর চেষ্টা করো। কি? ঢোকানো যাচ্ছে? তুমি পারবে না। কারণ এটা বন্ধ। কিছু বের করার চেষ্টা করো। সেটাও তুমি পারবে না। এরকম একটা বন্ধ মুষ্টি হলো একটা মৃত সিস্টেম। এটায় কিছুই বের হয় না, কিছু প্রবেশও করে না। কৃপণ আর ভীত মানুষরা এভাবেই বাঁচে। তারা তাদের আর্থিক মুষ্টি শক্ত করে বন্ধ রাখে। তারা বিশ্বাস করে এভাবেই তারা তাদের টাকা রক্ষা করছে। কিন্তু আসলে তারা এটাকে শ্বাসরোধ করছে। গ্রহণ করতে হলে, তোমার হাত খুলতে হবে। আর গ্রহণ করার জন্য হাত খুললে অনিবার্যভাবেই তোমার ভেতরে যা ছিল তা মুক্ত হয়ে যায় বা ভাগ হয়ে যায়। সঞ্চালনের নিয়ম এবসলিউট। বেঁচে থাকতে আর সুস্থ থাকতে রক্ত প্রবাহিত হতে হয়, শ্বাস প্রবাহিত হতে হয়। রক্তকে হৃদপিন্ডে ফিরে যেতে হবে আবার পাম্প হওয়ার জন্য। যদি রক্ত তোমার পায়ে জমে থাকতো, সেখানে গ্যাংগ্রিন হয়ে যেত! টাকাকে তোমার কাছ থেকে যেতে হবে যাতে এটা রিনিউ হয়ে তোমার কাছে ফিরে আসতে পারে। যদি তুমি বহির্গমন—খরচ, বিনিয়োগ, দান বন্ধ করো—তুমি অটোমেটিকভাবে আগমনও বন্ধ করে ফেলবে! তুমি স্থবির হয়ে যাবে। তুমি হয়ে যাবে আর্থিকভাবে এক মৃত সাগর। তুমি তোমার আয়ের ১০% দিয়ে দাও। নিজেদের স্মার্ট ভাবা আধুনিক মানুষরা দান করে না। তাই তারা প্রাচুর্যও পায়না। কেন ১০%? কারণ এটা এমন ছোট একটা পরিমাণ যা তোমাকে কোনো চাপে ফেলে না, কিন্তু এটা তোমার ইগোকে আঘাত করার জন্য যথেষ্ট বড়। তোমার ইগো দিতে ঘৃণা করে। এটা পুরোটাই নিজে নিতে চায়। যখন তুমি স্বেচ্ছায় ১০% দাও, তুমি তোমার ইগোর কবল থেকে মুক্তির একটা ঘোষণা দিচ্ছ। তুমি ইগোকে বলছ, 'তুমি আর আমাকে কব্জা করতে পারবে না। টাকা আমার ঈশ্বর নয়। সৃষ্টিকর্তা তাঁর অসীম উৎস থেকে আমাকে টাকা দেন। আমি একজন ফিন্যান্সিয়াল মাস্টার। আমি টাকা দান করতে পারি।' ১০% দিয়ে তুমি সৃষ্টিকর্তাকে পরিশোধ করছ। যিনি হলেন নীরব অংশীদার। সৃষ্টিকর্তা তোমাকে তোমার টাকা দিয়েছেন। তুমি এর একটা অংশ সৃষ্টিকর্তাকে ফিরিয়ে দিচ্ছ। যদি তুমি এটা না দাও, তুমি অহংকারী হয়ে ওঠবে। আর অহংকার কেবল পতনের আগে আসে! আর বিনয় প্রাচুর্যের প্রবাহকে উন্মুক্ত ও প্রশস্ত রাখে। দানশীলতা প্রাচুর্যের একটা লক্ষণ। কে দিতে পারে? শুধু যার আছে সে-ই দিতে পারে। যার নেই, সে দিতে পারে না। তাই, টাকা দেওয়ার কাজটা—বিশেষত যখন তুমি অভাবে আছো—অত্যন্ত শক্তিশালী কাজ। যখন তুমি কাউকে টাকা দাও, তুমি একটা শক্তিশালী সিগন্যাল পাঠাচ্ছ— 'আমার কাছে যথেষ্টের চেয়েও বেশি আছে।' এই কাজটা অভাবের প্যাটার্নকে ভেঙেচুরে দেয়। দেখবে তুমি যখন টাকা দিচ্ছ সেই মুহূর্তে তোমার মধ্যে গরিব বা অভাবের অনুভূতি থাকবে না। সেই মুহূর্তে, তুমি একজন ধনী মানুষ। আর যেহেতু তুমি যা চাও তা পাও না, বরং তুমি যা হও তাই পাও, তো এভাবে তোমার কাছে সম্পদ আসা আরম্ভ হয়। নিজের সম্পদ সম্পর্কে নিজেকে বিশ্বাস করানোর দ্রুততম উপায় হলো দান করা। যা তুমি মুক্ত করে দাও, তুমি সেই প্রাচুর্যের জন্য একটা ম্যাগনেট হয়ে ওঠো। যখন তোমার কাছে প্রচুর থাকে তখন দেওয়া সহজ। সৃষ্টিকর্তার কাছে এর মূল্য খুব কম। সবচেয়ে মূল্যবান হলো যখন তুমি তোমার যা প্রায় নেই তা দাও! এক বিধবা তার শেষ সম্বল দুটো স্বর্ণমুদ্রা দান করে দিয়েছিলেন। আর এটা করে তিনি ধনীদের চেয়ে বেশি দিয়েছেন কারণ তারা তাদের বাড়তি সম্পদ থেকে দেয়, আর তিনি তার যা কিছু ছিল সব দিয়েছেন। এর মানে তিনি সৃষ্টিকর্তার অসীম উৎসের সাপ্লাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস রেখেছিলেন। যখন তুমি তোমার আর্থিক সংকটের মধ্যেই দাও, তুমি ভয়ের যুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করছ। তুমি মাল্টিপ্লিকেশন ইফেক্ট সক্রিয় করছ। যদি তুমি টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় পাও, এর সেরা নিরাময় হলো দান করা। ভয়ের পঙ্গুত্ব শেষ করো। বিশ্বাস প্রদর্শন করো। আর বিশ্বাসই হলো দুনিয়ার মুদ্রা। এমন অনেক মানুষ আছে যারা দেউলিয়াত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে দান করা শুরু করে। কিন্তু কাকে দান করবে? এখানেই অনেকে ভুল করে। তারা বিশ্বাস করে দানশীলতা মানে শুধুই কোনো ভিখারি অথবা জীবন নিয়ে অভিযোগকারীকে টাকা দেওয়া। না। এভাবে দান করাটা কখনো কখনো একটা এনার্জেটিক্যাল অপচয়। তোমাকে স্মার্টভাবে দান করতে হবে। এটার একটি আধ্যাত্মিক নিয়ম আছে— যেখানে তুমি আত্মার খোরাক পাও, সেখানেই তোমার অবদান রাখো। উদাহরণ হিসেবে, একটা রেস্তোরাঁর কথা ভাবো। যদি তুমি একটা চমৎকার রেস্তোরাঁয় খাও, তুমি কি সেখানকার ওয়েটারকে টিপ দাও? নাকি তাকে এড়িয়ে রাস্তার ওপারের রেস্তোরাঁয় যাও কারণ তাদের জন্য তোমার করুণা হয়? এটা অযৌক্তিক কাজ। বাস্তবে তুমি সেখানেই টিপ দাও যেখানে তোমায় যত্ন করে খাওয়ানো হয়েছে। এটাই তোমার জীবনে প্রয়োগ করো। কে তোমাকে অনুপ্রাণিত করে? কে তোমার আত্মাকে পুষ্ট করে? কে তোমাকে ভ্যালু দেয়? তাদেরকে সাপোর্ট করো। এটা কি একজন লেখক? একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর? একজন মেন্টর? এমন একটা দাতব্য প্রতিষ্ঠান যা তোমার মূল্যবোধের সাথে মেলে? সেখানেই টাকা দাও। তুমি যে উৎস থেকে তোমার আত্মার খাদ্য, জীবনের অনুপ্রেরণা পাও সেই উৎসকেই আবার কিছু ফিরিয়ে দিচ্ছ। তুমি বলছ, 'এটা আমার কাছে মূল্যবান। আমি চাই এটা জারি থাকুক।' করুণা বা অপরাধবোধ থেকে টাকা দেওয়া তোমার ভাইব্রেশন নিচু করে দেয়। তোমাকে কৃতজ্ঞতা আর অনুপ্রেরণা থেকে দিতে হবে। অ্যাটিটিউডই সবকিছু। সৃষ্টিকর্তা পরিমাণ দেখেন না। তিনি তোমার কাজের ভাইব্রেশন পর্যবেক্ষণ করেন। যদি তুমি ক্রোধ, অহংকার, বিরক্তি, বাধ্যবাধকতা নিয়ে ১০হাজার টাকা দাও, সেখানে পরিমাণ বেশি হলেও তোমার ভাইব্রেশন নেগেটিভ। তুমি ১০হাজার টাকা হারিয়েছ মাত্র, এখানে কোনো দানের সুফল পাওনি। যদি তুমি একটা উজ্জ্বল হাসি আর সত্যিকারের ইচ্ছা নিয়ে ১০০টাকা দাও, তো পরিমাণ কম হতে পারে, কিন্তু এটা প্রচন্ড শক্তিশালী। সৃষ্টিকর্তা একজন প্রফুল্ল দাতাকে ভালোবাসেন। যদি তোমার কোনো সময় দিতে খারাপ লাগে, তখন না দেওয়াই ভালো। রেখে দাও। কিংবা ঐ টাকায় নিজেকে ট্রিট দাও। কারণ পেইন নিয়ে দান করা উলটো প্রবাহকে বিষাক্ত করে। তাদের সাহায্য করতে তুমি খুবই এক্সাইটেড এমন সংস্থা বা মানুষ খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করো। সাহায্য করতে কেমন লাগে সেই আবেগটাই একটা সিগন্যাল যে, তুমি সঠিকভাবে সঠিক স্থানে দান করলে কিনা। যখন দেওয়ার কাজটা আনন্দের একটা কাজ হয়ে ওঠে, তার মানে তুমি নিয়মটা আয়ত্ত করেছ। তুমি আর কোনো বাধ্যবাধকতা থেকে দান করছ না। এখানে একটা ক্যালকুলেশনের ভুল আছে যা মানুষকে হতাশ করে। অনেক মানুষ বিশ্বাস করে টাকা একই মানুষের কাছ থেকে ফিরে আসতে হবে যাকে তারা দিয়েছিল— 'আমি অমুককে সাহায্য করেছিলাম, আর এখন আমি যখন সংকটে, তখন অমুক আমাকে সাহায্য করছে না।' এরকম হলে তুমি সিস্টেমটাই বোঝোনি। প্রত্যাবর্তন রৈখিক নয়। এটা সর্বমুখী। যদি তুমি একটা নির্দিষ্ট প্রত্যাবর্তন আশা করো, তুমি একটা বাণিজ্যিক লেনদেন করছ, দান নয়। কাউকে কোনো কিছু আশা না করে দান করো, কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে সবকিছু আশা করো। মানুষের সাথে নয়, সৃষ্টিকর্তার সাথে তোমার হিসাব রাখো। তবে এই উদারতা, দানশীলতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রাপক আছে। সে হলো তুমি। অনেক মানুষ সবাইকেই দেয়, শুধু নিজেকে বাদে। তারা ছেঁড়া জামা, ফাটা জুতা পরে। এটা নিজের প্রতি ভালোবাসার অভাব। তুমি হলে চ্যানেল। যদি চ্যানেল ভেঙে যায়, সাহায্যও বন্ধ হয়ে যায়। তাই সম্পদের প্রথম নিয়ম হলো, নিজেকে প্রথমে দাও। নিজের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দাও। ভাড়া, সরকার, ব্যাংককে পরিশোধ করা কিংবা দান করার আগে, নিজের জন্য একটা অংশ আলাদা করে রাখো—তোমার সঞ্চয়, তোমার বিনিয়োগ বা তোমার আনন্দের জন্য। এটা সম্মানের একটা কাজ। নিজের প্রয়োজন আর ইচ্ছাকে সম্মান কর। নিজের যত্ন নেওয়া স্বার্থপরতা নয়। এটা উচ্চস্তরের সেবা আর সম্পদের পূর্বশর্ত। ফি আমানিল্লাহ 🤍 #EthereumBreaksAbove$2700 #BitgetBreachForgedRequestsNotStolenKeys #BitgetSays$352MAffectedInHack
¿Qué se necesita para cambiar el mapa del mundo o provocar una tercera guerra mundial? ¿Armas nucleares? ¿Una economía fuerte? ¿O quizás un enorme ejército moderno y equipado con armamento avanzado? Pero si te digo que la razón más grande de la próxima guerra mundial podría ser una simple vaca roja pastando en un rancho en Texas, entonces, ¿lo creerías?
বিটকয়েনের ৬৬%-এরও বেশি একক ব্যক্তিমালিকানায়: ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন দিগন্ত বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের মালিকানা ও বণ্টনের ধরণ সম্পর্কিত এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সাম্প্রতিক ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিটকয়েনের মোট সরবরাহের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি—অর্থাৎ ৬৬%-এরও বেশি অংশ—একক বা ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের (Individuals) হস্তগত। ডিজিটাল অর্থনীতির এই বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থার আসল নিয়ন্ত্রক কারা এবং কার কাছে কত পরিমাণ বিটকয়েন রয়েছে, তা একটি স্পষ্ট পাই-চার্টের (Pie Chart) মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নিচে বিটকয়েন বন্টনের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হলো: ১. বিটকয়েনের মালিকানার সার্বিক পরিসংখ্যান বিটকয়েনের মোট সরবরাহ সীমিত (সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন বা ২.১ কোটি BTC)। বর্তমানে এর সিংহভাগ অংশই সাধারণ মানুষের হাতে থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি খাতের অংশগ্রহণও লক্ষণীয়: ব্যক্তিমালিকানা (Individuals): ১৩.৯৮ মিলিয়ন BTC (৬৬.৬%)। বিশ্বের কোটি কোটি ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী ও ট্রাডিশনাল হোল্ডারদের হাতে সবচেয়ে বড় অংশটি রয়েছে।ব্যবসা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান (Businesses): ১.৬৩ মিলিয়ন BTC (৭.৮%)। মাইক্রোস্ট্র্যাটেজি বা অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ট্রেজারি রিজার্ভে এই পরিমাণ বিটকয়েন সংরক্ষিত।তহবিল ও ইটিএফ (Funds & ETFs): ১.৪৪ মিলিয়ন BTC (৬.৯%)। ব্ল্যাকরক, ফিডেলিটির মতো বড় স্পট বিটকয়েন ইটিএফ এবং স্পট ফান্ডগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এটি।হারিয়ে যাওয়া বিটকয়েন (Estimated Bitcoin Lost): ১.৬২ মিলিয়ন BTC (৭.৭%)। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া, হার্ডড্রাইভ নষ্ট হওয়া বা ওয়ালেট অ্যাক্সেস হারানোর কারণে এই বিটকয়েনগুলো স্থায়ীভাবে চিরতরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto): ৯৬৮ হাজার BTC (৪.৬%)। বিটকয়েনের রহস্যময় সৃষ্টিকর্তা সাতোশি নাকামোতোর মূল ওয়ালেটগুলোতে এই পরিমাণ বিটকয়েন সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে।খনন বাকি (To be mined): ৯১৯ হাজার BTC (৪.৪%)। প্রক্রিয়াধীন নেটওয়ার্ক ব্লকের মাধ্যমে নতুন করে মাইনিং বা উত্তোলনের জন্য এই পরিমাণ বিটকয়েন এখনো বাকি আছে।বিভিন্ন দেশের সরকার (Governments): ৪৩৫ হাজার BTC (২.১%)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা জার্মানির মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার বাজেয়াপ্ত বা অন্যান্য উপায়ে এই বিটকয়েনগুলো ধারণ করছে।২. এই বণ্টন থেকে কী বোঝা যায়? প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ (Decentralization): বিটকয়েন মূলত ব্যক্তিপর্যায়ের সাধারণ মানুষের দ্বারা পরিচালিত—তথ্যটি এই উপাত্তের মাধ্যমে আরও দৃঢ় হলো। একক কোনো সরকার বা বিশাল কোনো ব্যাংক এটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ক্রমবর্ধমান প্রাতিষ্ঠানিক আগ্রহ: ব্যবসায়িক প্রLতিষ্ঠান (৭.৮%) এবং ফান্ড/ইটিএফ (৬.৯%) মিলে প্রায় ১৫% বিটকয়েন ধারণ করছে, যা ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতি মূলধারার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাস বৃদ্ধির বড় প্রমাণ।সরবরাহের ঘাটতি (Supply Scarcity): ইতোমধ্যে ৭.৭% বিটকয়েন হারিয়ে গেছে এবং সাতোশির ৪.৬% বিটকয়েন কখনোই বাজারে আসার সম্ভাবনা নেই। উপরন্তু, মাত্র ৪.৪% মাইনিং বাকি রয়েছে। এর ফলে ট্রেডিংয়ের জন্য বাজারে কার্যকর বিটকয়েনের সংখ্যা বাস্তবে অনেক কম, যা দীর্ঘমেয়াদে এর মূল্যবৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ডিজিটাল অ্যাসেট হিসেবে বিটকয়েন সাধারণ মানুষেরআর্থিক স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের এই শক্ত অবস্থান প্রমাণ করে যে ভবিষ্যৎ আর্থিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের একক সিদ্ধান্ত এবং আধিপত্য আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রভাবশালী হবে।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি কিছুক্ষণ আগে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই রিপোর্টে বলা হচ্ছে - Iran has shot down another US-developed MQ-1 drone over the Strait of Hormuz. ( ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি আরেকটি MQ-1 ড্রোন ভূপাতিত করেছে।) এই একই রিপোর্টে বলা হচ্ছে - It is the third such drone to be downed in the area today. (আজ ওই এলাকায় এ ধরনের ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা এটি তৃতীয়।) অর্থাৎ আজকে এক দিনে অ্যামেরিকার গর্ব MQ-1 ড্রোন তিনটা ভূপাতিত করেছে ইরান। আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই রকম একেকটা ড্রোনের মূল্য ৪ থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার। এর মানে দাঁড়াচ্ছে আজকে এক দিনে অ্যামেরিকার প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশি টাকায় কত জানেন? বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা। এই যে ইরান এইসব ড্রোন ধ্বংস করছে, নিয়মিত এখানে-ওখানে হামলা করছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - অ্যামেরিকা কেন ইরানে হামলা করছে না? ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক ত্রিটা পার্সি গতকাল ইয়ং তুর্কসের শোতে এসে বলেছেন - In trying to economically and militarily pressure Iran, America and its allies are now finding themselves on the receiving end of that very pressure. (ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে চাপে ফেলতে গিয়ে এখন উল্টো আমেরিকা ও তার মিত্ররাই সেই চাপের শিকার হচ্ছে।) বিশেষ করে ইয়েমেন হুতিরা বাব আল মান্দেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর ট্রাম্প পুরোপুরি বেঁকে বসেছে। সৌদি আরবে ১০০ জন মিলিটারি এক্সপার্ট পাঠালেও অ্যামেরিকা কিন্তু হুতিদের উপর কোন হামলা চালাচ্ছে না। ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক এবং ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক পেপে এস্কোবারকে প্রশ্ন করা হয়েছে - সৌদি আরব অন্য কারও কাজ থেকে কি সাহায্য পাচ্ছে? পেপে এস্কোবার মারিওর শোতে এসে বলেছে - সৌদিরা তো এখন পাইপ লাইন ঠিক করতেই ব্যস্ত। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি আজ ডায়লগ ওয়ার্কসের শোতে এসে বলেছেন - It will take Saudi Arabia at least three to four weeks to repair the destroyed pipeline. (ধ্বংস হয়ে যাওয়া পাইপ লাইন ঠিক করতে কম পক্ষে তিন থেকে চার সপ্তাহ লাগবে সৌদি আরবের।) তিনি এটাও বলেছেন- তিন থেকে চার সপ্তাহের মাঝে হয়ত এই পাইপ লাইন অর্ধেক চালু হবে। পুরোপুরি ফাংশন করতে কয়েক মাস লেগে যাবে। আর এই জন্যই অ্যামেরিকা, ইয়েমেনে হুতিদের উপর হামলা করছে না । শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবার্ট পেপ আজ বলেছেন - Iran is now in control of both straits. (ইরান এখন দুটো প্রণালীই নিয়ন্ত্রণ করছে।) অধ্যাপক পেপ আরো বলেছেন- এর মানে দাঁড়াচ্ছে ইরান এখন পৃথিবীর তেল গ্যাস সাপ্লাইয়ের প্রায় ৪০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে। আর এই জন্য অ্যামেরিকায় তেল-গ্যাসের দাম হুহু করে বাড়ছে। ব্রিটিশ স্কাই টেলিভিশনের ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্কের ভাষায় - That’s why Trump has remained tight-lipped. (এই জন্যই ট্রাম্প মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে।) এদিকে আল-জাজিরা সহ বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম রিপোর্ট করেছে- সৌদি আরব মক্কা প্যাক্টের আওতায় পাকিস্তান এবং তুর্কির কাছে সাহায্য চেয়েছে। কিন্তু দুই দেশই নাকি জানিয়ে দিয়েছে - এই চুক্তি শুধুমাত্র প্রযোজ্য হবে চুক্তির পর নতুন কোন কনফ্লিক্ট যদি তৈরি হয়। অর্থাৎ ইয়েমেনের সাথে যেহেতু সৌদি আরবের যুদ্ধ অনেক দিন ধরে চলছে। তাই এই ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না । এখন অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার (ভূ-রাজনীতির জীবন্ত কিংবদন্তী) আজকে প্রশ্ন করেছেন - The war with Iran also began before this agreement was made ( ইরান যুদ্ধও তো এই চুক্তির আগে শুরু হয়েছে।) অর্থাৎ তিনি বুঝাতে চেয়েছেন- ইরানের ক্ষেত্রেও এটি তাহলে প্রযোজ্য হবে না। তাহলে সৌদিকে সাহায্য করবে কারা? শেষমেশ সৌদি আরব একাই এখন হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু এই বিমান হামলা চালিয়ে কি কোন ফায়দা হবে? অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক কর্নেল ম্যক গ্রেগর আজ বলেছেন - অ্যামেরিকাই তো বিমান হামলা করে ইরানে কিছু করতে পারে নাই। সৌদি আরব কীভাবে শুধু বিমান হামলা করে হারিয়ে ফেলা জায়গা দখল করবে? কর্নেল ম্যক গ্রেগর যেটা বলতে ভুলে গেছেন, সেটা হচ্ছে - খোদ অ্যামেরিকাই ইয়েমেন কয়েক মাস বিমান হামলা করে ইস্তফা দিয়েছিল গত বছর। তাহলে ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন তো? অ্যামেরিকার বন্ধু হয়ে সৌদি আরব এখন সব কিছু হারাতে বসেছে। ওদের তেল ব্যবসা বন্ধ। পাইপ লাইন বিধ্বস্ত হয়েছে। খোদ সৌদি আরবেই কিন্তু তেলের দাম এখন বাড়তি! ধরেন তিন বা চার সপ্তাহের মাঝে পাইপ লাইন ঠিক করলো। এরপর ব্যবসাটা করবে কোন দিক দিয়ে? বাব আল মান্দেব প্রণালী বন্ধ। হরমুজও বন্ধ। শুধু মাত্র সুয়েজ খাল দিয়ে ব্যবসা করতে পারবে। কিন্তু সুয়েজ দিয়ে বড় ট্যাংকার যাতায়াত করতে পারে না। কারন সুয়েজ অনেক সরু। তাছাড়া হুতিরা মাস কয়েক আগে এমনকি সুয়েজে থাকা জাহাজেও হামলা করেছিল। অর্থাৎ ওদের এই সামর্থ্য আছে। সব চাইতে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, পাইপ লাইন না হয় সৌদিরা ঠিক করতে পারবে এক মাস, দুই মাস পর। এরপর যে সেখানে আবার হামলা হবে না, এর তো কোন গ্যারান্টি নাই। এর মানে একটাই দাঁড়াচ্ছে- সৌদি আরবকে ইরানের টার্মে (চুক্তিতে) আসতেই হবে। এই সপ্তাহে ইরান সহ অন্যান্য আরব দেশগুলোর মাঝে একটা বৈঠক হবার কথা ছিল । সৌদি আরব মানা করে দেয়াতে সেটা আর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে ট্রাম্পের কথা শুনে সৌদিরা এই কাজ করেছে। সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাসত্ব ওরা এখনও করছে। কিন্তু কত দিন পারবে? অ্যামেরিকান অধ্যাপক রবার্ট পেপ বলেছেন - সৌদি আরব যদি এখনই নিজেদের না শুধরায়। তাহলে এই রাজ পরিবারগুলো ক্ষমতায় আর থাকতে পারবে না। তিনি এটাও বলেছেন - এমনকি সৌদি আরব ভেঙে যেতে পারে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, ইয়েমেনের বর্ডারে থাকা সৌদি আরবের তিনটা রাজ্য কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ইয়েমেনের অংশ ছিল। ১৯৩৪ সালের আগে সৌদি আরবের আসির, জিজান এবং নাজরান এলাকা কিন্তু ইয়েমেনের অংশই ছিল। মানে এই তিনটা অঞ্চল নিয়ে ইয়েমেনের সাথে সৌদি আরবের Dispute (বিরোধ) আছে। অধ্যাপক মেইর শেইমার সহ অনেক নামকরা ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক মনে করছেন- হুতিরা এই তিন অঞ্চল আবার ইয়েমেনের দখলে নিতে পারে। আমার অবশ্য এমনটা মনে হচ্ছে না। আমার ধারণা হুতিরা যে অঞ্চল এর মাঝে দখলে নিয়েছে। সেটাকে আরও সলিডিফাই (মজবুত) করার চেষ্টা করবে এবং যখনই সৌদি আরব কথা শুনবে না। তখন মিসাইল এবং ড্রোন দিয়ে ওদের তেল ক্ষেত্রে হামলা চালাবে। তাহলে বুঝেন- সৌদিরা কত বড় বিপদে পড়েছে। কেন এই বিপদে পড়েছে? কারন ওরা সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাসত্ব করে বেড়াচ্ছে। এখন বিপদের সময় কিন্তু অ্যামেরিকা ওদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে না। অ্যামেরিকা যখন এই অঞ্চল ছেড়ে চলে যাবে (এটি আর খুব দূরের বিষয় নয়। ইরান যুদ্ধের পরই হবে।) তখন সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস, বুর্জোয়া সৌদি রাজ পরিবারগুলোর পরিণত কী হয়; সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
আজকেও সৌদির ৬ শহরে সাইরেন! আর শেষমেশ কার কাছে হাত পাতলো সৌদি? 💥 আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর সকাল, সৌদির ৬টা শহরে একসাথে সাইরেন! জেদ্দা, আবহা, জাজান, ইয়ানবু, আল-উলা, তাইফ। সৌদি সিভিল ডিফেন্স নিজেই বলছে "danger has passed"। কারণ ভোরবেলা হুথিরা খামিস মুশাইত এয়ারবেসে মিসাইল-ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সৌদি নিজেই বলছে ১৩ জন আহত। হুথিদের দাবি অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮টা এয়ারস্ট্রাইক করেও সৌদি হুথিদের থামাতে পারে নাই। হুথিরা এখন মোখা থেকে বাব-আল-মান্দেব পর্যন্ত পুরা উপকূল ধরে বসে আছে। East-West পাইপলাইন বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ, তেল ৯৯ ডলার। এবার আসল কাহিনী শোনো — গত মাসে সৌদি তুরস্ক-পাকিস্তান নিয়ে বিশাল Mecca Defence Pact করলো। কিন্তু আজ যখন নিজের ঘরে মিসাইল পড়ছে, তখন তুরস্ক-পাকিস্তান কেউ মাঠে নামে নাই। আর সৌদি কি করলো? Jerusalem Post বলছে, US CENTCOM এর মাধ্যমে গোপনে ইসরায়েলের কাছে গোয়েন্দা সাহায্য চাইছে! এখন প্রশ্ন হলো — যে ইসরায়েল ফিলিস্তিনে বর্বরতা চালাচ্ছে, যাকে মুসলিম বিশ্ব ভালো চোখে দেখে না, সেই ইসরায়েলের কাছে কেন সাহায্য চাইবে মক্কা-মদিনার দেশ? তাহলে কি সৌদি আর ইসরায়েল আসলে গোপন বন্ধু? ওপরে শত্রুতা, ভেতরে বন্ধুত্ব? আর যদি তাই হয়, তাহলে তো বলতেই হয় — এই যুদ্ধে হুথিরা ভুল পথে না, হুথিরাই ঠিক পথে আছে। সৌদি প্রেমিকরা এখন কি বলবেন? একটা কথা পরিষ্কার — আমি আমার নবীর দেশ সৌদি আরবকে দোষ দিচ্ছি না। মক্কা-মদিনা আমাদের কলিজা। সমস্যা হলো বর্তমান সৌদি শাসকদের নিয়ে। তারা কেন তেলের জন্য ইসরায়েল - আমেরিকার কাছে ধন্যা দিবে? তোমাদের কি মনে হয়? কমেন্টে জানাও। Source: Jerusalem Post, 15 Sep 2026 #SaudiArabia #Israel #Houthi #Palestine #Yemen #MiddleEast #RedSea
¿Qué está pasando? El 13/09/2026, a las 9.52 minutos de la mañana, ocurrió un gran incidente en el escenario mundial que los medios de comunicación tradicionales nunca te dirán. Hace dos días, Donald Trump aterrizó en Escocia con un propósito especial.
🚀 I’m joining the September Referral Tournament! Invite friends, earn Referral Points, and unlock up to 500 USDC in token vouchers. Join me and start earning! https://www.binance.com/activity/trading-competition/sep-global-referral?ref=472229080
Ha terminado la era del petrodólar. Lo ocurrido en Pekín no es diplomacia, es el fin de la hegemonía financiera occidental. Hace cinco días, Washington creyó que tenía control sobre China. Hoy, Vladímir Putin ha aterrizado en Pekín. Su duración es un golpe psicológico bien planeado y feroz.
Artículo: Fundamentos de la Economía Cripto La criptomoneda es una clase revolucionaria de activos digitales construida sobre la base de la tecnología blockchain. A diferencia de las monedas fiduciarias tradicionales gestionadas por gobiernos y bancos, las criptomonedas operan como redes descentralizadas, lo que permite transacciones seguras de persona a persona directamente entre usuarios en cualquier parte del mundo. Componentes Fundamentales de la Cripto Blockchain: Un libro de contabilidad digital descentralizado e inmutable. Este sistema registra cada transacción en particular a través de una vasta red de computadoras, garantizando transparencia y seguridad. Un "bloque" contiene datos y, una vez verificados, se agrega permanentemente a la "cadena".
#BinanceTradersLeagueSeason4 is Back: Trade Crypto, bStock & Futures to Share $4M worth of Rewards https://www.binance.com/activity/trading-competition/202609tradersleague4?ref=472229080
🚀 $RAVE ACTUALIZACIÓN 👀 Como prometí… una vez que $RAVE llega a $12 ❤️, cumpliré mi palabra. 💰 Daré $1,000 a 5 personas afortunadas ✅ Justo & transparente — la regla es la regla 🎁 Cómo funciona: 5 ganadores serán seleccionados De 50 participantes activos La participación importa 👀 🔥 Mantente activo, mantente involucrado — tu turno podría ser el próximo $RAVE