Binance Square
AzlanAminul
42 Beiträge

AzlanAminul

Trade eröffnen
Hochfrequenz-Trader
4.3 Jahre
90 Following
27 Follower
26 Like gegeben
Beiträge
Portfolio
·
--
Artikel
#DYOR#DYOR DYOR steht für „Do Your Own Research“ (Mach deine eigene Recherche). Es ist ein grundlegendes Mantra in Krypto, Investments und persönlicher Finanzplanung: Es erinnert daran, Fakten unabhängig zu prüfen, statt auf Social-Media-Hype, Influencer oder ungefragte Ratschläge zu vertrauen. Warum DYOR wichtig ist ​Schutz vor Betrügereien: Im Krypto- und Trading-Umfeld gibt es hohe Risiken für Rug Pulls, Phishing-Betrug und Pump-and-Dump-Schemata, die entwickelt wurden, um Hype auszunutzen. ​Fehlinformationen eindämmen: Online-Influencer haben oft bezahlte Promotionsvereinbarungen (offengelegtes finanzielles Eigeninteresse), um bestimmte Token oder Produkte zu vermarkten.

#DYOR

#DYOR
DYOR steht für „Do Your Own Research“ (Mach deine eigene Recherche). Es ist ein grundlegendes Mantra in Krypto, Investments und persönlicher Finanzplanung: Es erinnert daran, Fakten unabhängig zu prüfen, statt auf Social-Media-Hype, Influencer oder ungefragte Ratschläge zu vertrauen.
Warum DYOR wichtig ist
​Schutz vor Betrügereien: Im Krypto- und Trading-Umfeld gibt es hohe Risiken für Rug Pulls, Phishing-Betrug und Pump-and-Dump-Schemata, die entwickelt wurden, um Hype auszunutzen.
​Fehlinformationen eindämmen: Online-Influencer haben oft bezahlte Promotionsvereinbarungen (offengelegtes finanzielles Eigeninteresse), um bestimmte Token oder Produkte zu vermarkten.
Übersetzung ansehen
Good
Good
BTC_Master 信号
·
--
Alhamdulillah, beide Trades laufen derzeit mit Gewinn! Aktuell halte ich $BR USDT und $BEAT USDT.

​Auch wenn sie bereits im Plus sind, möchte ich ein größeres Ziel erreichen—ich plane, insgesamt über $2.000 Gewinn aus diesen beiden Trades mitzunehmen. Mal sehen, wie es sich entwickelt! 🚀📈
Artikel
জীবন বদলে দেবার চেষ্টা{spot}(AAPLBUSDT) তোমার হাত দিয়ে একটা মুষ্টি তৈরি করো। শক্ত করে চেপে ধরো। এখন সেই মুষ্টির ভেতরে কিছু ঢোকানোর চেষ্টা করো। কি? ঢোকানো যাচ্ছে? তুমি পারবে না। কারণ এটা বন্ধ। কিছু বের করার চেষ্টা করো। সেটাও তুমি পারবে না। এরকম একটা বন্ধ মুষ্টি হলো একটা মৃত সিস্টেম। এটায় কিছুই বের হয় না, কিছু প্রবেশও করে না। কৃপণ আর ভীত মানুষরা এভাবেই বাঁচে। তারা তাদের আর্থিক মুষ্টি শক্ত করে বন্ধ রাখে। তারা বিশ্বাস করে এভাবেই তারা তাদের টাকা রক্ষা করছে। কিন্তু আসলে তারা এটাকে শ্বাসরোধ করছে। গ্রহণ করতে হলে, তোমার হাত খুলতে হবে। আর গ্রহণ করার জন্য হাত খুললে অনিবার্যভাবেই তোমার ভেতরে যা ছিল তা মুক্ত হয়ে যায় বা ভাগ হয়ে যায়। সঞ্চালনের নিয়ম এবসলিউট। বেঁচে থাকতে আর সুস্থ থাকতে রক্ত প্রবাহিত হতে হয়, শ্বাস প্রবাহিত হতে হয়। রক্তকে হৃদপিন্ডে ফিরে যেতে হবে আবার পাম্প হওয়ার জন্য। যদি রক্ত তোমার পায়ে জমে থাকতো, সেখানে গ্যাংগ্রিন হয়ে যেত! টাকাকে তোমার কাছ থেকে যেতে হবে যাতে এটা রিনিউ হয়ে তোমার কাছে ফিরে আসতে পারে। যদি তুমি বহির্গমন—খরচ, বিনিয়োগ, দান বন্ধ করো—তুমি অটোমেটিকভাবে আগমনও বন্ধ করে ফেলবে! তুমি স্থবির হয়ে যাবে। তুমি হয়ে যাবে আর্থিকভাবে এক মৃত সাগর। তুমি তোমার আয়ের ১০% দিয়ে দাও। নিজেদের স্মার্ট ভাবা আধুনিক মানুষরা দান করে না। তাই তারা প্রাচুর্যও পায়না। কেন ১০%? কারণ এটা এমন ছোট একটা পরিমাণ যা তোমাকে কোনো চাপে ফেলে না, কিন্তু এটা তোমার ইগোকে আঘাত করার জন্য যথেষ্ট বড়। তোমার ইগো দিতে ঘৃণা করে। এটা পুরোটাই নিজে নিতে চায়। যখন তুমি স্বেচ্ছায় ১০% দাও, তুমি তোমার ইগোর কবল থেকে মুক্তির একটা ঘোষণা দিচ্ছ। তুমি ইগোকে বলছ, 'তুমি আর আমাকে কব্জা করতে পারবে না। টাকা আমার ঈশ্বর নয়। সৃষ্টিকর্তা তাঁর অসীম উৎস থেকে আমাকে টাকা দেন। আমি একজন ফিন্যান্সিয়াল মাস্টার। আমি টাকা দান করতে পারি।' ১০% দিয়ে তুমি সৃষ্টিকর্তাকে পরিশোধ করছ। যিনি হলেন নীরব অংশীদার। সৃষ্টিকর্তা তোমাকে তোমার টাকা দিয়েছেন। তুমি এর একটা অংশ সৃষ্টিকর্তাকে ফিরিয়ে দিচ্ছ। যদি তুমি এটা না দাও, তুমি অহংকারী হয়ে ওঠবে। আর অহংকার কেবল পতনের আগে আসে! আর বিনয় প্রাচুর্যের প্রবাহকে উন্মুক্ত ও প্রশস্ত রাখে। দানশীলতা প্রাচুর্যের একটা লক্ষণ। কে দিতে পারে? শুধু যার আছে সে-ই দিতে পারে। যার নেই, সে দিতে পারে না। তাই, টাকা দেওয়ার কাজটা—বিশেষত যখন তুমি অভাবে আছো—অত্যন্ত শক্তিশালী কাজ। যখন তুমি কাউকে টাকা দাও, তুমি একটা শক্তিশালী সিগন্যাল পাঠাচ্ছ— 'আমার কাছে যথেষ্টের চেয়েও বেশি আছে।' এই কাজটা অভাবের প্যাটার্নকে ভেঙেচুরে দেয়। দেখবে তুমি যখন টাকা দিচ্ছ সেই মুহূর্তে তোমার মধ্যে গরিব বা অভাবের অনুভূতি থাকবে না। সেই মুহূর্তে, তুমি একজন ধনী মানুষ। আর যেহেতু তুমি যা চাও তা পাও না, বরং তুমি যা হও তাই পাও, তো এভাবে তোমার কাছে সম্পদ আসা আরম্ভ হয়। নিজের সম্পদ সম্পর্কে নিজেকে বিশ্বাস করানোর দ্রুততম উপায় হলো দান করা। যা তুমি মুক্ত করে দাও, তুমি সেই প্রাচুর্যের জন্য একটা ম্যাগনেট হয়ে ওঠো। যখন তোমার কাছে প্রচুর থাকে তখন দেওয়া সহজ। সৃষ্টিকর্তার কাছে এর মূল্য খুব কম। সবচেয়ে মূল্যবান হলো যখন তুমি তোমার যা প্রায় নেই তা দাও! এক বিধবা তার শেষ সম্বল দুটো স্বর্ণমুদ্রা দান করে দিয়েছিলেন। আর এটা করে তিনি ধনীদের চেয়ে বেশি দিয়েছেন কারণ তারা তাদের বাড়তি সম্পদ থেকে দেয়, আর তিনি তার যা কিছু ছিল সব দিয়েছেন। এর মানে তিনি সৃষ্টিকর্তার অসীম উৎসের সাপ্লাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস রেখেছিলেন। যখন তুমি তোমার আর্থিক সংকটের মধ্যেই দাও, তুমি ভয়ের যুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করছ। তুমি মাল্টিপ্লিকেশন ইফেক্ট সক্রিয় করছ। যদি তুমি টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় পাও, এর সেরা নিরাময় হলো দান করা। ভয়ের পঙ্গুত্ব শেষ করো। বিশ্বাস প্রদর্শন করো। আর বিশ্বাসই হলো দুনিয়ার মুদ্রা। এমন অনেক মানুষ আছে যারা দেউলিয়াত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে দান করা শুরু করে। কিন্তু কাকে দান করবে? এখানেই অনেকে ভুল করে। তারা বিশ্বাস করে দানশীলতা মানে শুধুই কোনো ভিখারি অথবা জীবন নিয়ে অভিযোগকারীকে টাকা দেওয়া। না। এভাবে দান করাটা কখনো কখনো একটা এনার্জেটিক্যাল অপচয়। তোমাকে স্মার্টভাবে দান করতে হবে। এটার একটি আধ্যাত্মিক নিয়ম আছে— যেখানে তুমি আত্মার খোরাক পাও, সেখানেই তোমার অবদান রাখো। উদাহরণ হিসেবে, একটা রেস্তোরাঁর কথা ভাবো। যদি তুমি একটা চমৎকার রেস্তোরাঁয় খাও, তুমি কি সেখানকার ওয়েটারকে টিপ দাও? নাকি তাকে এড়িয়ে রাস্তার ওপারের রেস্তোরাঁয় যাও কারণ তাদের জন্য তোমার করুণা হয়? এটা অযৌক্তিক কাজ। বাস্তবে তুমি সেখানেই টিপ দাও যেখানে তোমায় যত্ন করে খাওয়ানো হয়েছে। এটাই তোমার জীবনে প্রয়োগ করো। কে তোমাকে অনুপ্রাণিত করে? কে তোমার আত্মাকে পুষ্ট করে? কে তোমাকে ভ্যালু দেয়? তাদেরকে সাপোর্ট করো। এটা কি একজন লেখক? একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর? একজন মেন্টর? এমন একটা দাতব্য প্রতিষ্ঠান যা তোমার মূল্যবোধের সাথে মেলে? সেখানেই টাকা দাও। তুমি যে উৎস থেকে তোমার আত্মার খাদ্য, জীবনের অনুপ্রেরণা পাও সেই উৎসকেই আবার কিছু ফিরিয়ে দিচ্ছ। তুমি বলছ, 'এটা আমার কাছে মূল্যবান। আমি চাই এটা জারি থাকুক।' করুণা বা অপরাধবোধ থেকে টাকা দেওয়া তোমার ভাইব্রেশন নিচু করে দেয়। তোমাকে কৃতজ্ঞতা আর অনুপ্রেরণা থেকে দিতে হবে। অ্যাটিটিউডই সবকিছু। সৃষ্টিকর্তা পরিমাণ দেখেন না। তিনি তোমার কাজের ভাইব্রেশন পর্যবেক্ষণ করেন। যদি তুমি ক্রোধ, অহংকার, বিরক্তি, বাধ্যবাধকতা নিয়ে ১০হাজার টাকা দাও, সেখানে পরিমাণ বেশি হলেও তোমার ভাইব্রেশন নেগেটিভ। তুমি ১০হাজার টাকা হারিয়েছ মাত্র, এখানে কোনো দানের সুফল পাওনি। যদি তুমি একটা উজ্জ্বল হাসি আর সত্যিকারের ইচ্ছা নিয়ে ১০০টাকা দাও, তো পরিমাণ কম হতে পারে, কিন্তু এটা প্রচন্ড শক্তিশালী। সৃষ্টিকর্তা একজন প্রফুল্ল দাতাকে ভালোবাসেন। যদি তোমার কোনো সময় দিতে খারাপ লাগে, তখন না দেওয়াই ভালো। রেখে দাও। কিংবা ঐ টাকায় নিজেকে ট্রিট দাও। কারণ পেইন নিয়ে দান করা উলটো প্রবাহকে বিষাক্ত করে। তাদের সাহায্য করতে তুমি খুবই এক্সাইটেড এমন সংস্থা বা মানুষ খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করো। সাহায্য করতে কেমন লাগে সেই আবেগটাই একটা সিগন্যাল যে, তুমি সঠিকভাবে সঠিক স্থানে দান করলে কিনা। যখন দেওয়ার কাজটা আনন্দের একটা কাজ হয়ে ওঠে, তার মানে তুমি নিয়মটা আয়ত্ত করেছ। তুমি আর কোনো বাধ্যবাধকতা থেকে দান করছ না। এখানে একটা ক্যালকুলেশনের ভুল আছে যা মানুষকে হতাশ করে। অনেক মানুষ বিশ্বাস করে টাকা একই মানুষের কাছ থেকে ফিরে আসতে হবে যাকে তারা দিয়েছিল— 'আমি অমুককে সাহায্য করেছিলাম, আর এখন আমি যখন সংকটে, তখন অমুক আমাকে সাহায্য করছে না।' এরকম হলে তুমি সিস্টেমটাই বোঝোনি। প্রত্যাবর্তন রৈখিক নয়। এটা সর্বমুখী। যদি তুমি একটা নির্দিষ্ট প্রত্যাবর্তন আশা করো, তুমি একটা বাণিজ্যিক লেনদেন করছ, দান নয়। কাউকে কোনো কিছু আশা না করে দান করো, কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে সবকিছু আশা করো। মানুষের সাথে নয়, সৃষ্টিকর্তার সাথে তোমার হিসাব রাখো। তবে এই উদারতা, দানশীলতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রাপক আছে। সে হলো তুমি। অনেক মানুষ সবাইকেই দেয়, শুধু নিজেকে বাদে। তারা ছেঁড়া জামা, ফাটা জুতা পরে। এটা নিজের প্রতি ভালোবাসার অভাব। তুমি হলে চ্যানেল। যদি চ্যানেল ভেঙে যায়, সাহায্যও বন্ধ হয়ে যায়। তাই সম্পদের প্রথম নিয়ম হলো, নিজেকে প্রথমে দাও। নিজের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দাও। ভাড়া, সরকার, ব্যাংককে পরিশোধ করা কিংবা দান করার আগে, নিজের জন্য একটা অংশ আলাদা করে রাখো—তোমার সঞ্চয়, তোমার বিনিয়োগ বা তোমার আনন্দের জন্য। এটা সম্মানের একটা কাজ। নিজের প্রয়োজন আর ইচ্ছাকে সম্মান কর। নিজের যত্ন নেওয়া স্বার্থপরতা নয়। এটা উচ্চস্তরের সেবা আর সম্পদের পূর্বশর্ত। ফি আমানিল্লাহ 🤍 #EthereumBreaksAbove$2700 #BitgetBreachForgedRequestsNotStolenKeys #BitgetSays$352MAffectedInHack

জীবন বদলে দেবার চেষ্টা

তোমার হাত দিয়ে একটা মুষ্টি তৈরি করো। শক্ত করে চেপে ধরো। এখন সেই মুষ্টির ভেতরে কিছু ঢোকানোর চেষ্টা করো। কি? ঢোকানো যাচ্ছে? তুমি পারবে না। কারণ এটা বন্ধ। কিছু বের করার চেষ্টা করো। সেটাও তুমি পারবে না। এরকম একটা বন্ধ মুষ্টি হলো একটা মৃত সিস্টেম। এটায় কিছুই বের হয় না, কিছু প্রবেশও করে না। কৃপণ আর ভীত মানুষরা এভাবেই বাঁচে। তারা তাদের আর্থিক মুষ্টি শক্ত করে বন্ধ রাখে। তারা বিশ্বাস করে এভাবেই তারা তাদের টাকা রক্ষা করছে। কিন্তু আসলে তারা এটাকে শ্বাসরোধ করছে। গ্রহণ করতে হলে, তোমার হাত খুলতে হবে। আর গ্রহণ করার জন্য হাত খুললে অনিবার্যভাবেই তোমার ভেতরে যা ছিল তা মুক্ত হয়ে যায় বা ভাগ হয়ে যায়। সঞ্চালনের নিয়ম এবসলিউট। বেঁচে থাকতে আর সুস্থ থাকতে রক্ত প্রবাহিত হতে হয়, শ্বাস প্রবাহিত হতে হয়। রক্তকে হৃদপিন্ডে ফিরে যেতে হবে আবার পাম্প হওয়ার জন্য। যদি রক্ত তোমার পায়ে জমে থাকতো, সেখানে গ্যাংগ্রিন হয়ে যেত! টাকাকে তোমার কাছ থেকে যেতে হবে যাতে এটা রিনিউ হয়ে তোমার কাছে ফিরে আসতে পারে। যদি তুমি বহির্গমন—খরচ, বিনিয়োগ, দান বন্ধ করো—তুমি অটোমেটিকভাবে আগমনও বন্ধ করে ফেলবে! তুমি স্থবির হয়ে যাবে। তুমি হয়ে যাবে আর্থিকভাবে এক মৃত সাগর।
তুমি তোমার আয়ের ১০% দিয়ে দাও। নিজেদের স্মার্ট ভাবা আধুনিক মানুষরা দান করে না। তাই তারা প্রাচুর্যও পায়না। কেন ১০%? কারণ এটা এমন ছোট একটা পরিমাণ যা তোমাকে কোনো চাপে ফেলে না, কিন্তু এটা তোমার ইগোকে আঘাত করার জন্য যথেষ্ট বড়। তোমার ইগো দিতে ঘৃণা করে। এটা পুরোটাই নিজে নিতে চায়। যখন তুমি স্বেচ্ছায় ১০% দাও, তুমি তোমার ইগোর কবল থেকে মুক্তির একটা ঘোষণা দিচ্ছ। তুমি ইগোকে বলছ, 'তুমি আর আমাকে কব্জা করতে পারবে না। টাকা আমার ঈশ্বর নয়। সৃষ্টিকর্তা তাঁর অসীম উৎস থেকে আমাকে টাকা দেন। আমি একজন ফিন্যান্সিয়াল মাস্টার। আমি টাকা দান করতে পারি।'
১০% দিয়ে তুমি সৃষ্টিকর্তাকে পরিশোধ করছ। যিনি হলেন নীরব অংশীদার। সৃষ্টিকর্তা তোমাকে তোমার টাকা দিয়েছেন। তুমি এর একটা অংশ সৃষ্টিকর্তাকে ফিরিয়ে দিচ্ছ। যদি তুমি এটা না দাও, তুমি অহংকারী হয়ে ওঠবে। আর অহংকার কেবল পতনের আগে আসে! আর বিনয় প্রাচুর্যের প্রবাহকে উন্মুক্ত ও প্রশস্ত রাখে।
দানশীলতা প্রাচুর্যের একটা লক্ষণ।
কে দিতে পারে? শুধু যার আছে সে-ই দিতে পারে। যার নেই, সে দিতে পারে না। তাই, টাকা দেওয়ার কাজটা—বিশেষত যখন তুমি অভাবে আছো—অত্যন্ত শক্তিশালী কাজ। যখন তুমি কাউকে টাকা দাও, তুমি একটা শক্তিশালী সিগন্যাল পাঠাচ্ছ— 'আমার কাছে যথেষ্টের চেয়েও বেশি আছে।'
এই কাজটা অভাবের প্যাটার্নকে ভেঙেচুরে দেয়। দেখবে তুমি যখন টাকা দিচ্ছ সেই মুহূর্তে তোমার মধ্যে গরিব বা অভাবের অনুভূতি থাকবে না। সেই মুহূর্তে, তুমি একজন ধনী মানুষ। আর যেহেতু তুমি যা চাও তা পাও না, বরং তুমি যা হও তাই পাও, তো এভাবে তোমার কাছে সম্পদ আসা আরম্ভ হয়। নিজের সম্পদ সম্পর্কে নিজেকে বিশ্বাস করানোর দ্রুততম উপায় হলো দান করা। যা তুমি মুক্ত করে দাও, তুমি সেই প্রাচুর্যের জন্য একটা ম্যাগনেট হয়ে ওঠো।
যখন তোমার কাছে প্রচুর থাকে তখন দেওয়া সহজ। সৃষ্টিকর্তার কাছে এর মূল্য খুব কম। সবচেয়ে মূল্যবান হলো যখন তুমি তোমার যা প্রায় নেই তা দাও! এক বিধবা তার শেষ সম্বল দুটো স্বর্ণমুদ্রা দান করে দিয়েছিলেন। আর এটা করে তিনি ধনীদের চেয়ে বেশি দিয়েছেন কারণ তারা তাদের বাড়তি সম্পদ থেকে দেয়, আর তিনি তার যা কিছু ছিল সব দিয়েছেন। এর মানে তিনি সৃষ্টিকর্তার অসীম উৎসের সাপ্লাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস রেখেছিলেন। যখন তুমি তোমার আর্থিক সংকটের মধ্যেই দাও, তুমি ভয়ের যুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করছ। তুমি মাল্টিপ্লিকেশন ইফেক্ট সক্রিয় করছ। যদি তুমি টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় পাও, এর সেরা নিরাময় হলো দান করা। ভয়ের পঙ্গুত্ব শেষ করো। বিশ্বাস প্রদর্শন করো। আর বিশ্বাসই হলো দুনিয়ার মুদ্রা। এমন অনেক মানুষ আছে যারা দেউলিয়াত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে দান করা শুরু করে।
কিন্তু কাকে দান করবে? এখানেই অনেকে ভুল করে। তারা বিশ্বাস করে দানশীলতা মানে শুধুই কোনো ভিখারি অথবা জীবন নিয়ে অভিযোগকারীকে টাকা দেওয়া।
না। এভাবে দান করাটা কখনো কখনো একটা এনার্জেটিক্যাল অপচয়। তোমাকে স্মার্টভাবে দান করতে হবে। এটার একটি আধ্যাত্মিক নিয়ম আছে— যেখানে তুমি আত্মার খোরাক পাও, সেখানেই তোমার অবদান রাখো। উদাহরণ হিসেবে, একটা রেস্তোরাঁর কথা ভাবো। যদি তুমি একটা চমৎকার রেস্তোরাঁয় খাও, তুমি কি সেখানকার ওয়েটারকে টিপ দাও? নাকি তাকে এড়িয়ে রাস্তার ওপারের রেস্তোরাঁয় যাও কারণ তাদের জন্য তোমার করুণা হয়? এটা অযৌক্তিক কাজ। বাস্তবে তুমি সেখানেই টিপ দাও যেখানে তোমায় যত্ন করে খাওয়ানো হয়েছে। এটাই তোমার জীবনে প্রয়োগ করো। কে তোমাকে অনুপ্রাণিত করে? কে তোমার আত্মাকে পুষ্ট করে? কে তোমাকে ভ্যালু দেয়? তাদেরকে সাপোর্ট করো। এটা কি একজন লেখক? একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর? একজন মেন্টর? এমন একটা দাতব্য প্রতিষ্ঠান যা তোমার মূল্যবোধের সাথে মেলে? সেখানেই টাকা দাও। তুমি যে উৎস থেকে তোমার আত্মার খাদ্য, জীবনের অনুপ্রেরণা পাও সেই উৎসকেই আবার কিছু ফিরিয়ে দিচ্ছ। তুমি বলছ, 'এটা আমার কাছে মূল্যবান। আমি চাই এটা জারি থাকুক।'
করুণা বা অপরাধবোধ থেকে টাকা দেওয়া তোমার ভাইব্রেশন নিচু করে দেয়। তোমাকে কৃতজ্ঞতা আর অনুপ্রেরণা থেকে দিতে হবে। অ্যাটিটিউডই সবকিছু।
সৃষ্টিকর্তা পরিমাণ দেখেন না। তিনি তোমার কাজের ভাইব্রেশন পর্যবেক্ষণ করেন। যদি তুমি ক্রোধ, অহংকার, বিরক্তি, বাধ্যবাধকতা নিয়ে ১০হাজার টাকা দাও, সেখানে পরিমাণ বেশি হলেও তোমার ভাইব্রেশন নেগেটিভ। তুমি ১০হাজার টাকা হারিয়েছ মাত্র, এখানে কোনো দানের সুফল পাওনি। যদি তুমি একটা উজ্জ্বল হাসি আর সত্যিকারের ইচ্ছা নিয়ে ১০০টাকা দাও, তো পরিমাণ কম হতে পারে, কিন্তু এটা প্রচন্ড শক্তিশালী। সৃষ্টিকর্তা একজন প্রফুল্ল দাতাকে ভালোবাসেন। যদি তোমার কোনো সময় দিতে খারাপ লাগে, তখন না দেওয়াই ভালো। রেখে দাও। কিংবা ঐ টাকায় নিজেকে ট্রিট দাও। কারণ পেইন নিয়ে দান করা উলটো প্রবাহকে বিষাক্ত করে। তাদের সাহায্য করতে তুমি খুবই এক্সাইটেড এমন সংস্থা বা মানুষ খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করো। সাহায্য করতে কেমন লাগে সেই আবেগটাই একটা সিগন্যাল যে, তুমি সঠিকভাবে সঠিক স্থানে দান করলে কিনা। যখন দেওয়ার কাজটা আনন্দের একটা কাজ হয়ে ওঠে, তার মানে তুমি নিয়মটা আয়ত্ত করেছ। তুমি আর কোনো বাধ্যবাধকতা থেকে দান করছ না।
এখানে একটা ক্যালকুলেশনের ভুল আছে যা মানুষকে হতাশ করে। অনেক মানুষ বিশ্বাস করে টাকা একই মানুষের কাছ থেকে ফিরে আসতে হবে যাকে তারা দিয়েছিল— 'আমি অমুককে সাহায্য করেছিলাম, আর এখন আমি যখন সংকটে, তখন অমুক আমাকে সাহায্য করছে না।'
এরকম হলে তুমি সিস্টেমটাই বোঝোনি। প্রত্যাবর্তন রৈখিক নয়। এটা সর্বমুখী। যদি তুমি একটা নির্দিষ্ট প্রত্যাবর্তন আশা করো, তুমি একটা বাণিজ্যিক লেনদেন করছ, দান নয়। কাউকে কোনো কিছু আশা না করে দান করো, কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে সবকিছু আশা করো। মানুষের সাথে নয়, সৃষ্টিকর্তার সাথে তোমার হিসাব রাখো।
তবে এই উদারতা, দানশীলতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রাপক আছে। সে হলো তুমি। অনেক মানুষ সবাইকেই দেয়, শুধু নিজেকে বাদে। তারা ছেঁড়া জামা, ফাটা জুতা পরে। এটা নিজের প্রতি ভালোবাসার অভাব। তুমি হলে চ্যানেল। যদি চ্যানেল ভেঙে যায়, সাহায্যও বন্ধ হয়ে যায়। তাই সম্পদের প্রথম নিয়ম হলো, নিজেকে প্রথমে দাও। নিজের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দাও। ভাড়া, সরকার, ব্যাংককে পরিশোধ করা কিংবা দান করার আগে, নিজের জন্য একটা অংশ আলাদা করে রাখো—তোমার সঞ্চয়, তোমার বিনিয়োগ বা তোমার আনন্দের জন্য। এটা সম্মানের একটা কাজ। নিজের প্রয়োজন আর ইচ্ছাকে সম্মান কর। নিজের যত্ন নেওয়া স্বার্থপরতা নয়। এটা উচ্চস্তরের সেবা আর সম্পদের পূর্বশর্ত।
ফি আমানিল্লাহ 🤍
#EthereumBreaksAbove$2700 #BitgetBreachForgedRequestsNotStolenKeys #BitgetSays$352MAffectedInHack
Artikel
Übersetzung ansehen
লাল গরু # ইহুদীবাদ #পৃথিবীর মানচিত্র বদলে দিতে বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাঁধাতে কী লাগে? পারমাণবিক অস্ত্র? শক্তিশালী অর্থনীতি? নাকি আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত বিশাল কোনো সেনাবাহিনী? যদি বলি, এর কোনোটাই নয় বরং টেক্সাসের একটি খামারে ঘাস খেতে থাকা একটি সাধারণ লাল রঙের গরুই হতে পারে আগামী বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে বড় কারণ, তাহলে কি আপনি বিশ্বাস করবেন? শুনতে কোনো সস্তা থ্রিলার মুভির প্লট বা অবাস্তব কল্পনা মনে হলেও, বাস্তবতা মাঝে মাঝে কল্পনার চেয়েও ভয়ংকর হয়। আমরা সাধারণত মনে করি, পৃথিবীর বড় বড় সংঘাতগুলো ঘটে অর্থনীতি, তেলের খনি, সাপ্লাই চেইন বা ভৌগোলিক সীমানার ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু পর্দার আড়ালের গল্পটা মাঝে মাঝে এতটাই অবিশ্বাস্য হয় যে, তা আমাদের চেনা বাস্তবতাকে পুরোপুরি চ্যালেঞ্জ করে বসে। ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের একটি নির্দিষ্ট অংশের প্রবল বিশ্বাস অনুযায়ী, জেরুজালেমের টেম্পল মাউন্টে তাদের তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করতে হবে। আর এই মন্দির নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে তাদের নিজস্ব মসিহা বা ত্রাণকর্তার আগমনের শর্ত। কিন্তু চাইলেই তো আর হুট করে সেখানে একটি মন্দির বানানো যায় না। এর জন্য প্রয়োজন নিখুঁত লাল রঙের একটি গরু বা রেড হেইফার। তাদের প্রাচীন আইন অনুযায়ী, এই লাল গরুকে কোরবানি দিয়ে তার ছাই দিয়ে পুরোহিতদের পবিত্র করার পরই কেবল তারা সেই পবিত্র স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন। সহজ কথায়, এই লাল গরু ছাড়া মন্দিরের কাজ শুরু করা আক্ষরিক অর্থেই অসম্ভব। ব্যাপারটা শুনতে খুব সাধারণ মনে হতে পারে। একটি গরু জোগাড় করা আর এমন কী কঠিন কাজ! কিন্তু এই গরুর শর্তগুলো এতটাই কঠিন যে, হাজার বছরের ইতিহাসে খুব কম সংখ্যক গরুই এই শর্ত পুরোপুরি পূরণ করতে পেরেছে। গরুর গায়ে একটিও সাদা বা কালো পশম থাকতে পারবে না, তাকে কখনো কোনো কৃষিকাজে বা শ্রমে লাগানো যাবে না, এমনকি তার ওপর কেউ ভুলে হেলান দিলেও সেই গরু আর পবিত্র থাকবে না। এই অবিশ্বাস্য শর্ত পূরণের জন্য টেক্সাস থেকে শুরু করে ইসরায়েল পর্যন্ত যে বিশাল লজিস্টিক নেটওয়ার্ক আর সাপ্লাই চেইন তৈরি করা হয়েছে, তা যেকোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির গ্লোবাল অপারেশনকেও হার মানাবে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে, আন্তর্জাতিক সীমানা পার করে, জটিল ভেটেরিনারি আইন আর কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম মেনে এই গরুগুলোকে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অত্যন্ত সন্তর্পণে। এখানে সবচেয়ে চমকপ্রদ এবং ভাবনার বিষয় হলো একটি অদ্ভুত জোট। একদিকে আছেন আমেরিকার ইভাঞ্জেলিক্যাল খ্রিস্টানরা, আর অন্যদিকে আছেন ইসরায়েলের কট্টরপন্থী অর্থোডক্স ইহুদিরা। মজার ব্যাপার হলো, এই দুই দলের চূড়ান্ত ধর্মীয় বিশ্বাস কিন্তু এক নয়। খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন, এই মন্দির তৈরি হলে এবং লাল গরুর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে যিশু খ্রিস্ট আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। অন্যদিকে, ইহুদিরা বিশ্বাস করেন যে যিশু মসিহা নন, বরং এই আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে তাদের নিজস্ব একজন ত্রাণকর্তা আসবেন। তারা একে অপরের চূড়ান্ত বিশ্বাসকে সম্পূর্ণ ভুল মনে করেন। কিন্তু তারপরও তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করছেন, কোটি কোটি টাকা ফান্ডিং দিচ্ছেন। কারণ তাদের দুজনেরই প্রথম লক্ষ্যটা এক, সেই লাল গরু এবং তৃতীয় মন্দির। এই জোট প্রমাণ করে যে, যখন সাময়িক লক্ষ্য এক হয়, তখন চূড়ান্ত আদর্শিক পার্থক্য থাকলেও কতটা নিখুঁত পার্টনারশিপ তৈরি করা সম্ভব। এটি প্রমাণ করে যে, রাজনীতিতে চিরস্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কিছু নেই, আছে শুধু চিরস্থায়ী স্বার্থ। আর এই স্বার্থ উদ্ধারের জন্য তারা যেকোনো স্তরে যেতে প্রস্তুত। এই পুরো বিষয়টা হয়তো শুধু কিছু ধর্মীয় মানুষের ব্যক্তিগত উন্মাদনা হয়েই থাকত, যদি না এর সাথে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যুক্ত থাকতেন। আমেরিকার বর্তমান প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতা, যারা রাষ্ট্রের পলিসি নির্ধারণ করেন, তারা এই প্রক্রিয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যখন একজন সাধারণ মানুষ প্রলয় বা বিশ্বযুদ্ধের কথা বলে, তখন তা নিয়ে চিন্তার খুব বেশি কিছু নেই। কিন্তু যখন আমেরিকার মতো একটি পরাশক্তির প্রতিরক্ষা সচিব বা স্পিকার, যাদের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ, তারা যখন বাইবেলের রেফারেন্স দিয়ে যুদ্ধের কথা বলেন, তখন তা আর নিছক ব্যক্তিগত বিশ্বাস থাকে না। তা হয়ে যায় একটি ভয়ংকর বৈশ্বিক হুমকি। সাধারণ মানুষ হয়তো শুধু টিভিতে ব্রেকিং নিউজ দেখছে যে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। কিন্তু তারা জানে না যে এই উত্তেজনার পেছনের অন্যতম ফুয়েল হিসেবে কাজ করছে হাজার বছর আগের এক প্রফেসিকে জোর করে, আর্টিফিশিয়ালি সত্যি করার এক সুপরিকল্পিত চেষ্টা। আর এই চেষ্টার পেছনে ঢালা হচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। সো এটি আর কোনো থিওরি বা ড্রয়িং বোর্ডের নকশা নেই। শুধু লাল গরুই নয়, মন্দিরের পুরোহিতদের জন্য বিশেষ পোশাক বোনা হয়ে গেছে। রুপার বিশেষ ট্রাম্পেট বা শিঙা তৈরি করে রাখা হয়েছে। এমনকি একটি বহনযোগ্য বেদি বা অল্টারও প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে একটি ফ্ল্যাটবেড ট্রাকে। অর্থাৎ, সুযোগ পেলেই যেকোনো মুহূর্তে তারা তাদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে দিতে পারবে। এই প্রস্তুতির লেভেলটা একবার শান্ত মাথায় চিন্তা করুন। এটা কোনো আবেগের বশে নেওয়া আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। এটা হলো দশকের পর দশক ধরে করা নিখুঁত পরিকল্পনার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন। তারা জানে যে তারা কী করছে এবং তারা তাদের লক্ষ্যের দিকে অবিচল। ক্ষমতার সূত্রগুলো যারা বোঝেন, তারা জানেন যে নিজের চূড়ান্ত উদ্দেশ্যকে গোপন রেখে ধাপে ধাপে, ছোট ছোট পদক্ষেপে কাজ এগিয়ে নিতে হয়। ঠিক সেটাই এখানে হচ্ছে। তারা এমনভাবে এগোচ্ছে, যাতে বিশ্বের সাধারণ মানুষ একবারে বড় কোনো বিপদের আঁচ করতে না পারে। কিন্তু ভেতরের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়ে আছে। সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো এই টেম্পল মাউন্টের ভৌগোলিক অবস্থান। ঠিক একই জায়গায়, একই ভূমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদ এবং ডোম অব দ্য রক। অর্থাৎ, সেখানে নতুন করে কোনো ইহুদি মন্দির বানাতে হলে বা পুরোদমে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে হলে, বর্তমান স্থাপনাগুলোর ওপর সরাসরি আঘাত হানতে হবে। আর এমন কিছু ঘটার অর্থ কী, তা বুঝতে খুব বড় কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি সেই পবিত্র স্থানে সামান্যতম কোনো আঘাত আসে, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে যে দাবানল জ্বলে উঠবে, তা কোনো কূটনীতি বা শান্তিচুক্তি দিয়ে নেভানো সম্ভব হবে না। এটি আক্ষরিক অর্থেই একটি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করতে পারে। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অন্ধ বিশ্বাস যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সাথে যুক্ত হয়, তখন তা কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে। ইসরায়েলের বর্তমান কট্টরপন্থী মন্ত্রীরা প্রকাশ্যে যে ধরনের উসকানিমূলক কাজ করছেন, তা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তারা প্রকাশ্যে আল-আকসা প্রাঙ্গণে গিয়ে এমন সব কাজ করছেন যা দশকের পর দশক ধরে চলে আসা স্ট্যাটাস কো বা স্থিতিবস্থাকে সরাসরি ভঙ্গ করছে। তারা এমন সব আইন পাস করছেন, যা পুরোপুরি বৈষম্যমূলক। একই অপরাধের জন্য এক পক্ষের জন্য মৃত্যুদণ্ড আর অন্য পক্ষের জন্য সাধারণ বিচার, এই ধরনের আইন প্রমাণ করে যে তারা কোনো রাখঢাক না করেই এগোচ্ছেন। এই যে প্রকাশ্যে আইন ভাঙা, উসকানি দেওয়া এবং চরম বৈষম্যমূলক নীতি তৈরি করা, এগুলো সবই সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। তারা পরিস্থিতিকে এমন এক খাদের কিনারায় নিয়ে যেতে চাইছেন, যেখান থেকে ফিরে আসার আর কোনো উপায় থাকবে না। তারা চাইছেন একটি চূড়ান্ত সংঘাত, যা তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী তাদের মসিহাকে পৃথিবীতে নিয়ে আসবে। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো হাবাদ লুবোভিচ নামের একটি গোষ্ঠীর কার্যক্রম। তাদের বিশ্বাস আরও অদ্ভুত। তারা মনে করেন তাদের মৃত নেতা পুনরুত্থিত হয়ে এই অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করবেন। নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে তাদের সদর দপ্তরের নিচে বিশাল সুড়ঙ্গ খোঁড়ার যে ঘটনা কিছুদিন আগে সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছিল, তার শেকড়ও লুকিয়ে আছে এই একই বিশ্বাসের গভীরে। এই গোষ্ঠীগুলোর সাথে আবার আমেরিকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারগুলোর সরাসরি ফান্ডিং এবং কানেকশন রয়েছে। অর্থাৎ, আপনি চাইলেও এই ঘটনাগুলোকে শুধু কিছু পাগলাটে মানুষের কাজ বলে উড়িয়ে দিতে পারবেন না। এদের পেছনে আছে অর্থ, আছে রাজনৈতিক প্রভাব এবং সবচেয়ে বড় কথা, আছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা। আমেরিকার মেগা চার্চগুলোর দিকে তাকালেও একই চিত্র দেখা যায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষকে বোঝানো হচ্ছে যে ইসরায়েলকে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়া তাদের ধর্মীয় দায়িত্ব। ক্রিশ্চিয়ানস ইউনাইটেড ফর ইসরায়েলের মতো সংগঠনগুলো লাখ লাখ ডলার ফান্ডিং তুলছে এবং সেই টাকা সরাসরি গিয়ে পড়ছে এই লাল গরু বা তৃতীয় মন্দির নির্মাণের মতো প্রজেক্টগুলোতে। এই সাধারণ চার্চগামী মানুষগুলো হয়তো টেরই পাচ্ছে না যে তাদের দেওয়া অনুদানের টাকা এমন একটি প্রজেক্টে ব্যয় হচ্ছে, যা তাদেরই ট্যাক্সের টাকায় চলা সরকারকে একটি ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। তাদের বিশ্বাসকে ম্যানিপুলেট করা হচ্ছে অত্যন্ত সুকৌশলে। এটি ম্যাস সাইকোলজি কন্ট্রোলের এক অনবদ্য এবং ভয়ংকর উদাহরণ। এটি প্রমাণ করেছে যে গাজা বা পশ্চিম তীরে যে সংঘাত আমরা দেখছি, তা শুধু জমি দখলের লড়াই নয়। এর পেছনে কাজ করছে এক ভয়ংকর থিওলজিক্যাল বা ধর্মতাত্ত্বিক এজেন্ডা। যতদিন এই এজেন্ডা থাকবে, ততদিন কোনো চুক্তি বা সাময়িক যুদ্ধবিরতি দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব নয়। এই পুরো ঘটনাটি আমাদের জন্য একটি বড় শিক্ষাও বটে। এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, ধর্মকে যখন রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন তা কতটা বিধ্বংসী রূপ নিতে পারে। বিশ্বাস জিনিসটা মানুষের ব্যক্তিগত। কিন্তু সেই ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে যখন জিও-পলিটিক্যাল এজেন্ডা বাস্তবায়নের টুল হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন সাধারণ মানুষের জীবন হয়ে ওঠে দাবার গুটি। পরিশেষে বলা যায়, টেক্সাসের সেই খামারে থাকা লাল গরুগুলো শুধু আর সাধারণ প্রাণী নয়। তারা হয়ে উঠেছে একটি ভয়ংকর জিও-পলিটিক্যাল টাইমবোমার সুইচ। ভিডিওটিতে যে তথ্যপ্রমাণ আর যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে, তা খণ্ডন করার কোনো উপায় নেই। এটি কোনো কন্সপিরেসি থিওরি নয়, বরং এটি আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক রিয়েলিটি। আমাদের এখন শুধু দেখার অপেক্ষা, কবে এই টাইমবোমার সুইচটি টেপা হয় এবং তার ফলে কতটা ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয় এই পৃথিবী।

লাল গরু # ইহুদীবাদ #

পৃথিবীর মানচিত্র বদলে দিতে বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাঁধাতে কী লাগে? পারমাণবিক অস্ত্র? শক্তিশালী অর্থনীতি? নাকি আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত বিশাল কোনো সেনাবাহিনী? যদি বলি, এর কোনোটাই নয় বরং টেক্সাসের একটি খামারে ঘাস খেতে থাকা একটি সাধারণ লাল রঙের গরুই হতে পারে আগামী বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে বড় কারণ, তাহলে কি আপনি বিশ্বাস করবেন?
শুনতে কোনো সস্তা থ্রিলার মুভির প্লট বা অবাস্তব কল্পনা মনে হলেও, বাস্তবতা মাঝে মাঝে কল্পনার চেয়েও ভয়ংকর হয়। আমরা সাধারণত মনে করি, পৃথিবীর বড় বড় সংঘাতগুলো ঘটে অর্থনীতি, তেলের খনি, সাপ্লাই চেইন বা ভৌগোলিক সীমানার ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু পর্দার আড়ালের গল্পটা মাঝে মাঝে এতটাই অবিশ্বাস্য হয় যে, তা আমাদের চেনা বাস্তবতাকে পুরোপুরি চ্যালেঞ্জ করে বসে।
ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের একটি নির্দিষ্ট অংশের প্রবল বিশ্বাস অনুযায়ী, জেরুজালেমের টেম্পল মাউন্টে তাদের তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করতে হবে। আর এই মন্দির নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে তাদের নিজস্ব মসিহা বা ত্রাণকর্তার আগমনের শর্ত।
কিন্তু চাইলেই তো আর হুট করে সেখানে একটি মন্দির বানানো যায় না। এর জন্য প্রয়োজন নিখুঁত লাল রঙের একটি গরু বা রেড হেইফার। তাদের প্রাচীন আইন অনুযায়ী, এই লাল গরুকে কোরবানি দিয়ে তার ছাই দিয়ে পুরোহিতদের পবিত্র করার পরই কেবল তারা সেই পবিত্র স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন। সহজ কথায়, এই লাল গরু ছাড়া মন্দিরের কাজ শুরু করা আক্ষরিক অর্থেই অসম্ভব।
ব্যাপারটা শুনতে খুব সাধারণ মনে হতে পারে। একটি গরু জোগাড় করা আর এমন কী কঠিন কাজ! কিন্তু এই গরুর শর্তগুলো এতটাই কঠিন যে, হাজার বছরের ইতিহাসে খুব কম সংখ্যক গরুই এই শর্ত পুরোপুরি পূরণ করতে পেরেছে। গরুর গায়ে একটিও সাদা বা কালো পশম থাকতে পারবে না, তাকে কখনো কোনো কৃষিকাজে বা শ্রমে লাগানো যাবে না, এমনকি তার ওপর কেউ ভুলে হেলান দিলেও সেই গরু আর পবিত্র থাকবে না।
এই অবিশ্বাস্য শর্ত পূরণের জন্য টেক্সাস থেকে শুরু করে ইসরায়েল পর্যন্ত যে বিশাল লজিস্টিক নেটওয়ার্ক আর সাপ্লাই চেইন তৈরি করা হয়েছে, তা যেকোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির গ্লোবাল অপারেশনকেও হার মানাবে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে, আন্তর্জাতিক সীমানা পার করে, জটিল ভেটেরিনারি আইন আর কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম মেনে এই গরুগুলোকে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অত্যন্ত সন্তর্পণে।
এখানে সবচেয়ে চমকপ্রদ এবং ভাবনার বিষয় হলো একটি অদ্ভুত জোট। একদিকে আছেন আমেরিকার ইভাঞ্জেলিক্যাল খ্রিস্টানরা, আর অন্যদিকে আছেন ইসরায়েলের কট্টরপন্থী অর্থোডক্স ইহুদিরা। মজার ব্যাপার হলো, এই দুই দলের চূড়ান্ত ধর্মীয় বিশ্বাস কিন্তু এক নয়। খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন, এই মন্দির তৈরি হলে এবং লাল গরুর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে যিশু খ্রিস্ট আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।
অন্যদিকে, ইহুদিরা বিশ্বাস করেন যে যিশু মসিহা নন, বরং এই আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে তাদের নিজস্ব একজন ত্রাণকর্তা আসবেন। তারা একে অপরের চূড়ান্ত বিশ্বাসকে সম্পূর্ণ ভুল মনে করেন। কিন্তু তারপরও তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করছেন, কোটি কোটি টাকা ফান্ডিং দিচ্ছেন। কারণ তাদের দুজনেরই প্রথম লক্ষ্যটা এক, সেই লাল গরু এবং তৃতীয় মন্দির।
এই জোট প্রমাণ করে যে, যখন সাময়িক লক্ষ্য এক হয়, তখন চূড়ান্ত আদর্শিক পার্থক্য থাকলেও কতটা নিখুঁত পার্টনারশিপ তৈরি করা সম্ভব। এটি প্রমাণ করে যে, রাজনীতিতে চিরস্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কিছু নেই, আছে শুধু চিরস্থায়ী স্বার্থ। আর এই স্বার্থ উদ্ধারের জন্য তারা যেকোনো স্তরে যেতে প্রস্তুত।
এই পুরো বিষয়টা হয়তো শুধু কিছু ধর্মীয় মানুষের ব্যক্তিগত উন্মাদনা হয়েই থাকত, যদি না এর সাথে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যুক্ত থাকতেন। আমেরিকার বর্তমান প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতা, যারা রাষ্ট্রের পলিসি নির্ধারণ করেন, তারা এই প্রক্রিয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
যখন একজন সাধারণ মানুষ প্রলয় বা বিশ্বযুদ্ধের কথা বলে, তখন তা নিয়ে চিন্তার খুব বেশি কিছু নেই। কিন্তু যখন আমেরিকার মতো একটি পরাশক্তির প্রতিরক্ষা সচিব বা স্পিকার, যাদের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ, তারা যখন বাইবেলের রেফারেন্স দিয়ে যুদ্ধের কথা বলেন, তখন তা আর নিছক ব্যক্তিগত বিশ্বাস থাকে না। তা হয়ে যায় একটি ভয়ংকর বৈশ্বিক হুমকি।
সাধারণ মানুষ হয়তো শুধু টিভিতে ব্রেকিং নিউজ দেখছে যে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। কিন্তু তারা জানে না যে এই উত্তেজনার পেছনের অন্যতম ফুয়েল হিসেবে কাজ করছে হাজার বছর আগের এক প্রফেসিকে জোর করে, আর্টিফিশিয়ালি সত্যি করার এক সুপরিকল্পিত চেষ্টা। আর এই চেষ্টার পেছনে ঢালা হচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার।
সো এটি আর কোনো থিওরি বা ড্রয়িং বোর্ডের নকশা নেই। শুধু লাল গরুই নয়, মন্দিরের পুরোহিতদের জন্য বিশেষ পোশাক বোনা হয়ে গেছে। রুপার বিশেষ ট্রাম্পেট বা শিঙা তৈরি করে রাখা হয়েছে। এমনকি একটি বহনযোগ্য বেদি বা অল্টারও প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে একটি ফ্ল্যাটবেড ট্রাকে।
অর্থাৎ, সুযোগ পেলেই যেকোনো মুহূর্তে তারা তাদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে দিতে পারবে। এই প্রস্তুতির লেভেলটা একবার শান্ত মাথায় চিন্তা করুন। এটা কোনো আবেগের বশে নেওয়া আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। এটা হলো দশকের পর দশক ধরে করা নিখুঁত পরিকল্পনার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন। তারা জানে যে তারা কী করছে এবং তারা তাদের লক্ষ্যের দিকে অবিচল।
ক্ষমতার সূত্রগুলো যারা বোঝেন, তারা জানেন যে নিজের চূড়ান্ত উদ্দেশ্যকে গোপন রেখে ধাপে ধাপে, ছোট ছোট পদক্ষেপে কাজ এগিয়ে নিতে হয়। ঠিক সেটাই এখানে হচ্ছে। তারা এমনভাবে এগোচ্ছে, যাতে বিশ্বের সাধারণ মানুষ একবারে বড় কোনো বিপদের আঁচ করতে না পারে। কিন্তু ভেতরের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়ে আছে।
সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো এই টেম্পল মাউন্টের ভৌগোলিক অবস্থান। ঠিক একই জায়গায়, একই ভূমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদ এবং ডোম অব দ্য রক। অর্থাৎ, সেখানে নতুন করে কোনো ইহুদি মন্দির বানাতে হলে বা পুরোদমে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে হলে, বর্তমান স্থাপনাগুলোর ওপর সরাসরি আঘাত হানতে হবে।
আর এমন কিছু ঘটার অর্থ কী, তা বুঝতে খুব বড় কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি সেই পবিত্র স্থানে সামান্যতম কোনো আঘাত আসে, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে যে দাবানল জ্বলে উঠবে, তা কোনো কূটনীতি বা শান্তিচুক্তি দিয়ে নেভানো সম্ভব হবে না। এটি আক্ষরিক অর্থেই একটি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করতে পারে।
এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অন্ধ বিশ্বাস যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সাথে যুক্ত হয়, তখন তা কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে। ইসরায়েলের বর্তমান কট্টরপন্থী মন্ত্রীরা প্রকাশ্যে যে ধরনের উসকানিমূলক কাজ করছেন, তা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
তারা প্রকাশ্যে আল-আকসা প্রাঙ্গণে গিয়ে এমন সব কাজ করছেন যা দশকের পর দশক ধরে চলে আসা স্ট্যাটাস কো বা স্থিতিবস্থাকে সরাসরি ভঙ্গ করছে। তারা এমন সব আইন পাস করছেন, যা পুরোপুরি বৈষম্যমূলক। একই অপরাধের জন্য এক পক্ষের জন্য মৃত্যুদণ্ড আর অন্য পক্ষের জন্য সাধারণ বিচার, এই ধরনের আইন প্রমাণ করে যে তারা কোনো রাখঢাক না করেই এগোচ্ছেন।
এই যে প্রকাশ্যে আইন ভাঙা, উসকানি দেওয়া এবং চরম বৈষম্যমূলক নীতি তৈরি করা, এগুলো সবই সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। তারা পরিস্থিতিকে এমন এক খাদের কিনারায় নিয়ে যেতে চাইছেন, যেখান থেকে ফিরে আসার আর কোনো উপায় থাকবে না। তারা চাইছেন একটি চূড়ান্ত সংঘাত, যা তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী তাদের মসিহাকে পৃথিবীতে নিয়ে আসবে।
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো হাবাদ লুবোভিচ নামের একটি গোষ্ঠীর কার্যক্রম। তাদের বিশ্বাস আরও অদ্ভুত। তারা মনে করেন তাদের মৃত নেতা পুনরুত্থিত হয়ে এই অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করবেন। নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে তাদের সদর দপ্তরের নিচে বিশাল সুড়ঙ্গ খোঁড়ার যে ঘটনা কিছুদিন আগে সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছিল, তার শেকড়ও লুকিয়ে আছে এই একই বিশ্বাসের গভীরে।
এই গোষ্ঠীগুলোর সাথে আবার আমেরিকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারগুলোর সরাসরি ফান্ডিং এবং কানেকশন রয়েছে। অর্থাৎ, আপনি চাইলেও এই ঘটনাগুলোকে শুধু কিছু পাগলাটে মানুষের কাজ বলে উড়িয়ে দিতে পারবেন না। এদের পেছনে আছে অর্থ, আছে রাজনৈতিক প্রভাব এবং সবচেয়ে বড় কথা, আছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা।
আমেরিকার মেগা চার্চগুলোর দিকে তাকালেও একই চিত্র দেখা যায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষকে বোঝানো হচ্ছে যে ইসরায়েলকে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়া তাদের ধর্মীয় দায়িত্ব। ক্রিশ্চিয়ানস ইউনাইটেড ফর ইসরায়েলের মতো সংগঠনগুলো লাখ লাখ ডলার ফান্ডিং তুলছে এবং সেই টাকা সরাসরি গিয়ে পড়ছে এই লাল গরু বা তৃতীয় মন্দির নির্মাণের মতো প্রজেক্টগুলোতে।
এই সাধারণ চার্চগামী মানুষগুলো হয়তো টেরই পাচ্ছে না যে তাদের দেওয়া অনুদানের টাকা এমন একটি প্রজেক্টে ব্যয় হচ্ছে, যা তাদেরই ট্যাক্সের টাকায় চলা সরকারকে একটি ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। তাদের বিশ্বাসকে ম্যানিপুলেট করা হচ্ছে অত্যন্ত সুকৌশলে। এটি ম্যাস সাইকোলজি কন্ট্রোলের এক অনবদ্য এবং ভয়ংকর উদাহরণ।
এটি প্রমাণ করেছে যে গাজা বা পশ্চিম তীরে যে সংঘাত আমরা দেখছি, তা শুধু জমি দখলের লড়াই নয়। এর পেছনে কাজ করছে এক ভয়ংকর থিওলজিক্যাল বা ধর্মতাত্ত্বিক এজেন্ডা। যতদিন এই এজেন্ডা থাকবে, ততদিন কোনো চুক্তি বা সাময়িক যুদ্ধবিরতি দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব নয়।
এই পুরো ঘটনাটি আমাদের জন্য একটি বড় শিক্ষাও বটে। এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, ধর্মকে যখন রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন তা কতটা বিধ্বংসী রূপ নিতে পারে। বিশ্বাস জিনিসটা মানুষের ব্যক্তিগত। কিন্তু সেই ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে যখন জিও-পলিটিক্যাল এজেন্ডা বাস্তবায়নের টুল হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন সাধারণ মানুষের জীবন হয়ে ওঠে দাবার গুটি।
পরিশেষে বলা যায়, টেক্সাসের সেই খামারে থাকা লাল গরুগুলো শুধু আর সাধারণ প্রাণী নয়। তারা হয়ে উঠেছে একটি ভয়ংকর জিও-পলিটিক্যাল টাইমবোমার সুইচ। ভিডিওটিতে যে তথ্যপ্রমাণ আর যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে, তা খণ্ডন করার কোনো উপায় নেই।
এটি কোনো কন্সপিরেসি থিওরি নয়, বরং এটি আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক রিয়েলিটি। আমাদের এখন শুধু দেখার অপেক্ষা, কবে এই টাইমবোমার সুইচটি টেপা হয় এবং তার ফলে কতটা ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয় এই পৃথিবী।
Artikel
Übersetzung ansehen
#Bitcoin Ownershipবিটকয়েনের ৬৬%-এরও বেশি একক ব্যক্তিমালিকানায়: ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন দিগন্ত ​বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের মালিকানা ও বণ্টনের ধরণ সম্পর্কিত এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সাম্প্রতিক ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিটকয়েনের মোট সরবরাহের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি—অর্থাৎ ৬৬%-এরও বেশি অংশ—একক বা ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের (Individuals) হস্তগত। ​ডিজিটাল অর্থনীতির এই বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থার আসল নিয়ন্ত্রক কারা এবং কার কাছে কত পরিমাণ বিটকয়েন রয়েছে, তা একটি স্পষ্ট পাই-চার্টের (Pie Chart) মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নিচে বিটকয়েন বন্টনের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হলো: ​১. বিটকয়েনের মালিকানার সার্বিক পরিসংখ্যান ​বিটকয়েনের মোট সরবরাহ সীমিত (সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন বা ২.১ কোটি BTC)। বর্তমানে এর সিংহভাগ অংশই সাধারণ মানুষের হাতে থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি খাতের অংশগ্রহণও লক্ষণীয়: ​ব্যক্তিমালিকানা (Individuals): ১৩.৯৮ মিলিয়ন BTC (৬৬.৬%)। বিশ্বের কোটি কোটি ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী ও ট্রাডিশনাল হোল্ডারদের হাতে সবচেয়ে বড় অংশটি রয়েছে।​ব্যবসা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান (Businesses): ১.৬৩ মিলিয়ন BTC (৭.৮%)। মাইক্রোস্ট্র্যাটেজি বা অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ট্রেজারি রিজার্ভে এই পরিমাণ বিটকয়েন সংরক্ষিত।​তহবিল ও ইটিএফ (Funds & ETFs): ১.৪৪ মিলিয়ন BTC (৬.৯%)। ব্ল্যাকরক, ফিডেলিটির মতো বড় স্পট বিটকয়েন ইটিএফ এবং স্পট ফান্ডগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এটি।​হারিয়ে যাওয়া বিটকয়েন (Estimated Bitcoin Lost): ১.৬২ মিলিয়ন BTC (৭.৭%)। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া, হার্ডড্রাইভ নষ্ট হওয়া বা ওয়ালেট অ্যাক্সেস হারানোর কারণে এই বিটকয়েনগুলো স্থায়ীভাবে চিরতরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।​সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto): ৯৬৮ হাজার BTC (৪.৬%)। বিটকয়েনের রহস্যময় সৃষ্টিকর্তা সাতোশি নাকামোতোর মূল ওয়ালেটগুলোতে এই পরিমাণ বিটকয়েন সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে।​খনন বাকি (To be mined): ৯১৯ হাজার BTC (৪.৪%)। প্রক্রিয়াধীন নেটওয়ার্ক ব্লকের মাধ্যমে নতুন করে মাইনিং বা উত্তোলনের জন্য এই পরিমাণ বিটকয়েন এখনো বাকি আছে।​বিভিন্ন দেশের সরকার (Governments): ৪৩৫ হাজার BTC (২.১%)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা জার্মানির মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার বাজেয়াপ্ত বা অন্যান্য উপায়ে এই বিটকয়েনগুলো ধারণ করছে।২. এই বণ্টন থেকে কী বোঝা যায়? প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ (Decentralization): বিটকয়েন মূলত ব্যক্তিপর্যায়ের সাধারণ মানুষের দ্বারা পরিচালিত—তথ্যটি এই উপাত্তের মাধ্যমে আরও দৃঢ় হলো। একক কোনো সরকার বা বিশাল কোনো ব্যাংক এটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ​ক্রমবর্ধমান প্রাতিষ্ঠানিক আগ্রহ: ব্যবসায়িক প্রLতিষ্ঠান (৭.৮%) এবং ফান্ড/ইটিএফ (৬.৯%) মিলে প্রায় ১৫% বিটকয়েন ধারণ করছে, যা ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতি মূলধারার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাস বৃদ্ধির বড় প্রমাণ।​সরবরাহের ঘাটতি (Supply Scarcity): ইতোমধ্যে ৭.৭% বিটকয়েন হারিয়ে গেছে এবং সাতোশির ৪.৬% বিটকয়েন কখনোই বাজারে আসার সম্ভাবনা নেই। উপরন্তু, মাত্র ৪.৪% মাইনিং বাকি রয়েছে। এর ফলে ট্রেডিংয়ের জন্য বাজারে কার্যকর বিটকয়েনের সংখ্যা বাস্তবে অনেক কম, যা দীর্ঘমেয়াদে এর মূল্যবৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ​ডিজিটাল অ্যাসেট হিসেবে বিটকয়েন সাধারণ মানুষেরআর্থিক স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের এই শক্ত অবস্থান প্রমাণ করে যে ভবিষ্যৎ আর্থিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের একক সিদ্ধান্ত এবং আধিপত্য আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রভাবশালী হবে।

#Bitcoin Ownership

বিটকয়েনের ৬৬%-এরও বেশি একক ব্যক্তিমালিকানায়: ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন দিগন্ত
​বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের মালিকানা ও বণ্টনের ধরণ সম্পর্কিত এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সাম্প্রতিক ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিটকয়েনের মোট সরবরাহের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি—অর্থাৎ ৬৬%-এরও বেশি অংশ—একক বা ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের (Individuals) হস্তগত।
​ডিজিটাল অর্থনীতির এই বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থার আসল নিয়ন্ত্রক কারা এবং কার কাছে কত পরিমাণ বিটকয়েন রয়েছে, তা একটি স্পষ্ট পাই-চার্টের (Pie Chart) মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নিচে বিটকয়েন বন্টনের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হলো:
​১. বিটকয়েনের মালিকানার সার্বিক পরিসংখ্যান
​বিটকয়েনের মোট সরবরাহ সীমিত (সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন বা ২.১ কোটি BTC)। বর্তমানে এর সিংহভাগ অংশই সাধারণ মানুষের হাতে থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি খাতের অংশগ্রহণও লক্ষণীয়:
​ব্যক্তিমালিকানা (Individuals): ১৩.৯৮ মিলিয়ন BTC (৬৬.৬%)। বিশ্বের কোটি কোটি ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী ও ট্রাডিশনাল হোল্ডারদের হাতে সবচেয়ে বড় অংশটি রয়েছে।​ব্যবসা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান (Businesses): ১.৬৩ মিলিয়ন BTC (৭.৮%)। মাইক্রোস্ট্র্যাটেজি বা অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ট্রেজারি রিজার্ভে এই পরিমাণ বিটকয়েন সংরক্ষিত।​তহবিল ও ইটিএফ (Funds & ETFs): ১.৪৪ মিলিয়ন BTC (৬.৯%)। ব্ল্যাকরক, ফিডেলিটির মতো বড় স্পট বিটকয়েন ইটিএফ এবং স্পট ফান্ডগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এটি।​হারিয়ে যাওয়া বিটকয়েন (Estimated Bitcoin Lost): ১.৬২ মিলিয়ন BTC (৭.৭%)। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া, হার্ডড্রাইভ নষ্ট হওয়া বা ওয়ালেট অ্যাক্সেস হারানোর কারণে এই বিটকয়েনগুলো স্থায়ীভাবে চিরতরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।​সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto): ৯৬৮ হাজার BTC (৪.৬%)। বিটকয়েনের রহস্যময় সৃষ্টিকর্তা সাতোশি নাকামোতোর মূল ওয়ালেটগুলোতে এই পরিমাণ বিটকয়েন সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে।​খনন বাকি (To be mined): ৯১৯ হাজার BTC (৪.৪%)। প্রক্রিয়াধীন নেটওয়ার্ক ব্লকের মাধ্যমে নতুন করে মাইনিং বা উত্তোলনের জন্য এই পরিমাণ বিটকয়েন এখনো বাকি আছে।​বিভিন্ন দেশের সরকার (Governments): ৪৩৫ হাজার BTC (২.১%)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা জার্মানির মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার বাজেয়াপ্ত বা অন্যান্য উপায়ে এই বিটকয়েনগুলো ধারণ করছে।২. এই বণ্টন থেকে কী বোঝা যায়?
প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ (Decentralization): বিটকয়েন মূলত ব্যক্তিপর্যায়ের সাধারণ মানুষের দ্বারা পরিচালিত—তথ্যটি এই উপাত্তের মাধ্যমে আরও দৃঢ় হলো। একক কোনো সরকার বা বিশাল কোনো ব্যাংক এটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ​ক্রমবর্ধমান প্রাতিষ্ঠানিক আগ্রহ: ব্যবসায়িক প্রLতিষ্ঠান (৭.৮%) এবং ফান্ড/ইটিএফ (৬.৯%) মিলে প্রায় ১৫% বিটকয়েন ধারণ করছে, যা ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতি মূলধারার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাস বৃদ্ধির বড় প্রমাণ।​সরবরাহের ঘাটতি (Supply Scarcity): ইতোমধ্যে ৭.৭% বিটকয়েন হারিয়ে গেছে এবং সাতোশির ৪.৬% বিটকয়েন কখনোই বাজারে আসার সম্ভাবনা নেই। উপরন্তু, মাত্র ৪.৪% মাইনিং বাকি রয়েছে। এর ফলে ট্রেডিংয়ের জন্য বাজারে কার্যকর বিটকয়েনের সংখ্যা বাস্তবে অনেক কম, যা দীর্ঘমেয়াদে এর মূল্যবৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
​ডিজিটাল অ্যাসেট হিসেবে বিটকয়েন সাধারণ মানুষেরআর্থিক স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের এই শক্ত অবস্থান প্রমাণ করে যে ভবিষ্যৎ আর্থিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের একক সিদ্ধান্ত এবং আধিপত্য আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রভাবশালী হবে।
Artikel
Übersetzung ansehen
World Politics #ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি কিছুক্ষণ আগে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই রিপোর্টে বলা হচ্ছে - Iran has shot down another US-developed MQ-1 drone over the Strait of Hormuz. ( ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি আরেকটি MQ-1 ড্রোন ভূপাতিত করেছে।) এই একই রিপোর্টে বলা হচ্ছে - It is the third such drone to be downed in the area today. (আজ ওই এলাকায় এ ধরনের ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা এটি তৃতীয়।) অর্থাৎ আজকে এক দিনে অ্যামেরিকার গর্ব MQ-1 ড্রোন তিনটা ভূপাতিত করেছে ইরান। আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই রকম একেকটা ড্রোনের মূল্য ৪ থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার। এর মানে দাঁড়াচ্ছে আজকে এক দিনে অ্যামেরিকার প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশি টাকায় কত জানেন? বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা। এই যে ইরান এইসব ড্রোন ধ্বংস করছে, নিয়মিত এখানে-ওখানে হামলা করছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - অ্যামেরিকা কেন ইরানে হামলা করছে না? ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক ত্রিটা পার্সি গতকাল ইয়ং তুর্কসের শোতে এসে বলেছেন - In trying to economically and militarily pressure Iran, America and its allies are now finding themselves on the receiving end of that very pressure. (ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে চাপে ফেলতে গিয়ে এখন উল্টো আমেরিকা ও তার মিত্ররাই সেই চাপের শিকার হচ্ছে।) বিশেষ করে ইয়েমেন হুতিরা বাব আল মান্দেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর ট্রাম্প পুরোপুরি বেঁকে বসেছে। সৌদি আরবে ১০০ জন মিলিটারি এক্সপার্ট পাঠালেও অ্যামেরিকা কিন্তু হুতিদের উপর কোন হামলা চালাচ্ছে না। ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক এবং ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক পেপে এস্কোবারকে প্রশ্ন করা হয়েছে - সৌদি আরব অন্য কারও কাজ থেকে কি সাহায্য পাচ্ছে? পেপে এস্কোবার মারিওর শোতে এসে বলেছে - সৌদিরা তো এখন পাইপ লাইন ঠিক করতেই ব্যস্ত। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি আজ ডায়লগ ওয়ার্কসের শোতে এসে বলেছেন - It will take Saudi Arabia at least three to four weeks to repair the destroyed pipeline. (ধ্বংস হয়ে যাওয়া পাইপ লাইন ঠিক করতে কম পক্ষে তিন থেকে চার সপ্তাহ লাগবে সৌদি আরবের।) তিনি এটাও বলেছেন- তিন থেকে চার সপ্তাহের মাঝে হয়ত এই পাইপ লাইন অর্ধেক চালু হবে। পুরোপুরি ফাংশন করতে কয়েক মাস লেগে যাবে। আর এই জন্যই অ্যামেরিকা, ইয়েমেনে হুতিদের উপর হামলা করছে না । শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবার্ট পেপ আজ বলেছেন - Iran is now in control of both straits. (ইরান এখন দুটো প্রণালীই নিয়ন্ত্রণ করছে।) অধ্যাপক পেপ আরো বলেছেন- এর মানে দাঁড়াচ্ছে ইরান এখন পৃথিবীর তেল গ্যাস সাপ্লাইয়ের প্রায় ৪০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে। আর এই জন্য অ্যামেরিকায় তেল-গ্যাসের দাম হুহু করে বাড়ছে। ব্রিটিশ স্কাই টেলিভিশনের ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্কের ভাষায় - That’s why Trump has remained tight-lipped. (এই জন্যই ট্রাম্প মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে।) এদিকে আল-জাজিরা সহ বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম রিপোর্ট করেছে- সৌদি আরব মক্কা প্যাক্টের আওতায় পাকিস্তান এবং তুর্কির কাছে সাহায্য চেয়েছে। কিন্তু দুই দেশই নাকি জানিয়ে দিয়েছে - এই চুক্তি শুধুমাত্র প্রযোজ্য হবে চুক্তির পর নতুন কোন কনফ্লিক্ট যদি তৈরি হয়। অর্থাৎ ইয়েমেনের সাথে যেহেতু সৌদি আরবের যুদ্ধ অনেক দিন ধরে চলছে। তাই এই ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না । এখন অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার (ভূ-রাজনীতির জীবন্ত কিংবদন্তী) আজকে প্রশ্ন করেছেন - The war with Iran also began before this agreement was made ( ইরান যুদ্ধও তো এই চুক্তির আগে শুরু হয়েছে।) অর্থাৎ তিনি বুঝাতে চেয়েছেন- ইরানের ক্ষেত্রেও এটি তাহলে প্রযোজ্য হবে না। তাহলে সৌদিকে সাহায্য করবে কারা? শেষমেশ সৌদি আরব একাই এখন হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু এই বিমান হামলা চালিয়ে কি কোন ফায়দা হবে? অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক কর্নেল ম্যক গ্রেগর আজ বলেছেন - অ্যামেরিকাই তো বিমান হামলা করে ইরানে কিছু করতে পারে নাই। সৌদি আরব কীভাবে শুধু বিমান হামলা করে হারিয়ে ফেলা জায়গা দখল করবে? কর্নেল ম্যক গ্রেগর যেটা বলতে ভুলে গেছেন, সেটা হচ্ছে - খোদ অ্যামেরিকাই ইয়েমেন কয়েক মাস বিমান হামলা করে ইস্তফা দিয়েছিল গত বছর। তাহলে ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন তো? অ্যামেরিকার বন্ধু হয়ে সৌদি আরব এখন সব কিছু হারাতে বসেছে। ওদের তেল ব্যবসা বন্ধ। পাইপ লাইন বিধ্বস্ত হয়েছে। খোদ সৌদি আরবেই কিন্তু তেলের দাম এখন বাড়তি! ধরেন তিন বা চার সপ্তাহের মাঝে পাইপ লাইন ঠিক করলো। এরপর ব্যবসাটা করবে কোন দিক দিয়ে? বাব আল মান্দেব প্রণালী বন্ধ। হরমুজও বন্ধ। শুধু মাত্র সুয়েজ খাল দিয়ে ব্যবসা করতে পারবে। কিন্তু সুয়েজ দিয়ে বড় ট্যাংকার যাতায়াত করতে পারে না। কারন সুয়েজ অনেক সরু। তাছাড়া হুতিরা মাস কয়েক আগে এমনকি সুয়েজে থাকা জাহাজেও হামলা করেছিল। অর্থাৎ ওদের এই সামর্থ্য আছে। সব চাইতে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, পাইপ লাইন না হয় সৌদিরা ঠিক করতে পারবে এক মাস, দুই মাস পর। এরপর যে সেখানে আবার হামলা হবে না, এর তো কোন গ্যারান্টি নাই। এর মানে একটাই দাঁড়াচ্ছে- সৌদি আরবকে ইরানের টার্মে (চুক্তিতে) আসতেই হবে। এই সপ্তাহে ইরান সহ অন্যান্য আরব দেশগুলোর মাঝে একটা বৈঠক হবার কথা ছিল । সৌদি আরব মানা করে দেয়াতে সেটা আর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে ট্রাম্পের কথা শুনে সৌদিরা এই কাজ করেছে। সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাসত্ব ওরা এখনও করছে। কিন্তু কত দিন পারবে? অ্যামেরিকান অধ্যাপক রবার্ট পেপ বলেছেন - সৌদি আরব যদি এখনই নিজেদের না শুধরায়। তাহলে এই রাজ পরিবারগুলো ক্ষমতায় আর থাকতে পারবে না। তিনি এটাও বলেছেন - এমনকি সৌদি আরব ভেঙে যেতে পারে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, ইয়েমেনের বর্ডারে থাকা সৌদি আরবের তিনটা রাজ্য কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ইয়েমেনের অংশ ছিল। ১৯৩৪ সালের আগে সৌদি আরবের আসির, জিজান এবং নাজরান এলাকা কিন্তু ইয়েমেনের অংশই ছিল। মানে এই তিনটা অঞ্চল নিয়ে ইয়েমেনের সাথে সৌদি আরবের Dispute (বিরোধ) আছে। অধ্যাপক মেইর শেইমার সহ অনেক নামকরা ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক মনে করছেন- হুতিরা এই তিন অঞ্চল আবার ইয়েমেনের দখলে নিতে পারে। আমার অবশ্য এমনটা মনে হচ্ছে না। আমার ধারণা হুতিরা যে অঞ্চল এর মাঝে দখলে নিয়েছে। সেটাকে আরও সলিডিফাই (মজবুত) করার চেষ্টা করবে এবং যখনই সৌদি আরব কথা শুনবে না। তখন মিসাইল এবং ড্রোন দিয়ে ওদের তেল ক্ষেত্রে হামলা চালাবে। তাহলে বুঝেন- সৌদিরা কত বড় বিপদে পড়েছে। কেন এই বিপদে পড়েছে? কারন ওরা সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাসত্ব করে বেড়াচ্ছে। এখন বিপদের সময় কিন্তু অ্যামেরিকা ওদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে না। অ্যামেরিকা যখন এই অঞ্চল ছেড়ে চলে যাবে (এটি আর খুব দূরের বিষয় নয়। ইরান যুদ্ধের পরই হবে।) তখন সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস, বুর্জোয়া সৌদি রাজ পরিবারগুলোর পরিণত কী হয়; সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

World Politics #

ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি কিছুক্ষণ আগে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই রিপোর্টে বলা হচ্ছে
- Iran has shot down another US-developed MQ-1 drone over the Strait of Hormuz. ( ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি আরেকটি MQ-1 ড্রোন ভূপাতিত করেছে।)
এই একই রিপোর্টে বলা হচ্ছে
- It is the third such drone to be downed in the area today. (আজ ওই এলাকায় এ ধরনের ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা এটি তৃতীয়।)
অর্থাৎ আজকে এক দিনে অ্যামেরিকার গর্ব MQ-1 ড্রোন তিনটা ভূপাতিত করেছে ইরান। আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই রকম একেকটা ড্রোনের মূল্য ৪ থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার। এর মানে দাঁড়াচ্ছে আজকে এক দিনে অ্যামেরিকার প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশি টাকায় কত জানেন?
বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা। এই যে ইরান এইসব ড্রোন ধ্বংস করছে, নিয়মিত এখানে-ওখানে হামলা করছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে
- অ্যামেরিকা কেন ইরানে হামলা করছে না?
ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক ত্রিটা পার্সি গতকাল ইয়ং তুর্কসের শোতে এসে বলেছেন
- In trying to economically and militarily pressure Iran, America and its allies are now finding themselves on the receiving end of that very pressure. (ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে চাপে ফেলতে গিয়ে এখন উল্টো আমেরিকা ও তার মিত্ররাই সেই চাপের শিকার হচ্ছে।)
বিশেষ করে ইয়েমেন হুতিরা বাব আল মান্দেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর ট্রাম্প পুরোপুরি বেঁকে বসেছে। সৌদি আরবে ১০০ জন মিলিটারি এক্সপার্ট পাঠালেও অ্যামেরিকা কিন্তু হুতিদের উপর কোন হামলা চালাচ্ছে না।
ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক এবং ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক পেপে এস্কোবারকে প্রশ্ন করা হয়েছে
- সৌদি আরব অন্য কারও কাজ থেকে কি সাহায্য পাচ্ছে?
পেপে এস্কোবার মারিওর শোতে এসে বলেছে
- সৌদিরা তো এখন পাইপ লাইন ঠিক করতেই ব্যস্ত।
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি আজ ডায়লগ ওয়ার্কসের শোতে এসে বলেছেন
- It will take Saudi Arabia at least three to four weeks to repair the destroyed pipeline. (ধ্বংস হয়ে যাওয়া পাইপ লাইন ঠিক করতে কম পক্ষে তিন থেকে চার সপ্তাহ লাগবে সৌদি আরবের।)
তিনি এটাও বলেছেন- তিন থেকে চার সপ্তাহের মাঝে হয়ত এই পাইপ লাইন অর্ধেক চালু হবে। পুরোপুরি ফাংশন করতে কয়েক মাস লেগে যাবে। আর এই জন্যই অ্যামেরিকা, ইয়েমেনে হুতিদের উপর হামলা করছে না । শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবার্ট পেপ আজ বলেছেন
- Iran is now in control of both straits. (ইরান এখন দুটো প্রণালীই নিয়ন্ত্রণ করছে।)
অধ্যাপক পেপ আরো বলেছেন- এর মানে দাঁড়াচ্ছে ইরান এখন পৃথিবীর তেল গ্যাস সাপ্লাইয়ের প্রায় ৪০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে। আর এই জন্য অ্যামেরিকায় তেল-গ্যাসের দাম হুহু করে বাড়ছে। ব্রিটিশ স্কাই টেলিভিশনের ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্কের ভাষায়
- That’s why Trump has remained tight-lipped. (এই জন্যই ট্রাম্প মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে।)
এদিকে আল-জাজিরা সহ বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম রিপোর্ট করেছে- সৌদি আরব মক্কা প্যাক্টের আওতায় পাকিস্তান এবং তুর্কির কাছে সাহায্য চেয়েছে। কিন্তু দুই দেশই নাকি জানিয়ে দিয়েছে
- এই চুক্তি শুধুমাত্র প্রযোজ্য হবে চুক্তির পর নতুন কোন কনফ্লিক্ট যদি তৈরি হয়।
অর্থাৎ ইয়েমেনের সাথে যেহেতু সৌদি আরবের যুদ্ধ অনেক দিন ধরে চলছে। তাই এই ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না । এখন অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার (ভূ-রাজনীতির জীবন্ত কিংবদন্তী) আজকে প্রশ্ন করেছেন
- The war with Iran also began before this agreement was made ( ইরান যুদ্ধও তো এই চুক্তির আগে শুরু হয়েছে।)
অর্থাৎ তিনি বুঝাতে চেয়েছেন- ইরানের ক্ষেত্রেও এটি তাহলে প্রযোজ্য হবে না। তাহলে সৌদিকে সাহায্য করবে কারা? শেষমেশ সৌদি আরব একাই এখন হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু এই বিমান হামলা চালিয়ে কি কোন ফায়দা হবে? অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক কর্নেল ম্যক গ্রেগর আজ বলেছেন
- অ্যামেরিকাই তো বিমান হামলা করে ইরানে কিছু করতে পারে নাই। সৌদি আরব কীভাবে শুধু বিমান হামলা করে হারিয়ে ফেলা জায়গা দখল করবে?
কর্নেল ম্যক গ্রেগর যেটা বলতে ভুলে গেছেন, সেটা হচ্ছে
- খোদ অ্যামেরিকাই ইয়েমেন কয়েক মাস বিমান হামলা করে ইস্তফা দিয়েছিল গত বছর।
তাহলে ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন তো? অ্যামেরিকার বন্ধু হয়ে সৌদি আরব এখন সব কিছু হারাতে বসেছে। ওদের তেল ব্যবসা বন্ধ। পাইপ লাইন বিধ্বস্ত হয়েছে। খোদ সৌদি আরবেই কিন্তু তেলের দাম এখন বাড়তি! ধরেন তিন বা চার সপ্তাহের মাঝে পাইপ লাইন ঠিক করলো। এরপর ব্যবসাটা করবে কোন দিক দিয়ে?
বাব আল মান্দেব প্রণালী বন্ধ। হরমুজও বন্ধ। শুধু মাত্র সুয়েজ খাল দিয়ে ব্যবসা করতে পারবে। কিন্তু সুয়েজ দিয়ে বড় ট্যাংকার যাতায়াত করতে পারে না। কারন সুয়েজ অনেক সরু। তাছাড়া হুতিরা মাস কয়েক আগে এমনকি সুয়েজে থাকা জাহাজেও হামলা করেছিল। অর্থাৎ ওদের এই সামর্থ্য আছে।
সব চাইতে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, পাইপ লাইন না হয় সৌদিরা ঠিক করতে পারবে এক মাস, দুই মাস পর। এরপর যে সেখানে আবার হামলা হবে না, এর তো কোন গ্যারান্টি নাই। এর মানে একটাই দাঁড়াচ্ছে- সৌদি আরবকে ইরানের টার্মে (চুক্তিতে) আসতেই হবে।
এই সপ্তাহে ইরান সহ অন্যান্য আরব দেশগুলোর মাঝে একটা বৈঠক হবার কথা ছিল । সৌদি আরব মানা করে দেয়াতে সেটা আর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে ট্রাম্পের কথা শুনে সৌদিরা এই কাজ করেছে। সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাসত্ব ওরা এখনও করছে। কিন্তু কত দিন পারবে?
অ্যামেরিকান অধ্যাপক রবার্ট পেপ বলেছেন
- সৌদি আরব যদি এখনই নিজেদের না শুধরায়। তাহলে এই রাজ পরিবারগুলো ক্ষমতায় আর থাকতে পারবে না।
তিনি এটাও বলেছেন
- এমনকি সৌদি আরব ভেঙে যেতে পারে।
আপনাদের জানিয়ে রাখি, ইয়েমেনের বর্ডারে থাকা সৌদি আরবের তিনটা রাজ্য কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ইয়েমেনের অংশ ছিল। ১৯৩৪ সালের আগে সৌদি আরবের আসির, জিজান এবং নাজরান এলাকা কিন্তু ইয়েমেনের অংশই ছিল। মানে এই তিনটা অঞ্চল নিয়ে ইয়েমেনের সাথে সৌদি আরবের Dispute (বিরোধ) আছে।
অধ্যাপক মেইর শেইমার সহ অনেক নামকরা ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক মনে করছেন- হুতিরা এই তিন অঞ্চল আবার ইয়েমেনের দখলে নিতে পারে। আমার অবশ্য এমনটা মনে হচ্ছে না। আমার ধারণা হুতিরা যে অঞ্চল এর মাঝে দখলে নিয়েছে। সেটাকে আরও সলিডিফাই (মজবুত) করার চেষ্টা করবে এবং যখনই সৌদি আরব কথা শুনবে না। তখন মিসাইল এবং ড্রোন দিয়ে ওদের তেল ক্ষেত্রে হামলা চালাবে।
তাহলে বুঝেন- সৌদিরা কত বড় বিপদে পড়েছে। কেন এই বিপদে পড়েছে? কারন ওরা সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাসত্ব করে বেড়াচ্ছে। এখন বিপদের সময় কিন্তু অ্যামেরিকা ওদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে না।
অ্যামেরিকা যখন এই অঞ্চল ছেড়ে চলে যাবে (এটি আর খুব দূরের বিষয় নয়। ইরান যুদ্ধের পরই হবে।) তখন সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস, বুর্জোয়া সৌদি রাজ পরিবারগুলোর পরিণত কী হয়; সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
Artikel
Naher Osten# Israel # AmerikaAuch heute noch Sirenen in 6 Städten in Saudi! Und am Ende: Wem hat Saudi die Hand hingestreckt? 💥 Heute, 15. September, morgens: Sirenen gleichzeitig in 6 Städten in Saudi! Dschidda, Abha, Dschasan, Yanbu, Al-Ula, Taif. Der Zivilschutz von Saudi sagt selbst: „danger has passed“.

Naher Osten# Israel # Amerika

Auch heute noch Sirenen in 6 Städten in Saudi! Und am Ende: Wem hat Saudi die Hand hingestreckt? 💥
Heute, 15. September, morgens: Sirenen gleichzeitig in 6 Städten in Saudi! Dschidda, Abha, Dschasan, Yanbu, Al-Ula, Taif. Der Zivilschutz von Saudi sagt selbst: „danger has passed“.
Artikel
WeltpolitikWas zum Teufel ist das? Am 13.09.2026 ist um 9:52 Uhr im World Rangamanch ein großes Ereignis passiert, das Ihnen die Mainstream-Medien niemals verraten werden. Vor zwei Tagen landet Donald Trump in Schottland mit einem ganz besonderen Zweck.

Weltpolitik

Was zum Teufel ist das?
Am 13.09.2026 ist um 9:52 Uhr im World Rangamanch ein großes Ereignis passiert, das Ihnen die Mainstream-Medien niemals verraten werden.
Vor zwei Tagen landet Donald Trump in Schottland mit einem ganz besonderen Zweck.
Übersetzung ansehen
🚀 I’m joining the September Referral Tournament! Invite friends, earn Referral Points, and unlock up to 500 USDC in token vouchers. Join me and start earning! [https://www.binance.com/activity/trading-competition/sep-global-referral?ref=472229080](https://www.binance.com/activity/trading-competition/sep-global-referral?ref=472229080)
🚀 I’m joining the September Referral Tournament! Invite friends, earn Referral Points, and unlock up to 500 USDC in token vouchers. Join me and start earning! https://www.binance.com/activity/trading-competition/sep-global-referral?ref=472229080
Übersetzung ansehen
Petro Dollar $$$পেট্রোডলারের যুগ শেষ। বেইজিংয়ে যা ঘটল তা কোনো কূটনীতি নয়, এটি পশ্চিমা আর্থিক আধিপত্যের সমাপ্তি। পাঁচ দিন আগে, ওয়াশিংটন ভেবেছিল চীনের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আছে। আজ ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিংয়ে অবতরণ করেছেন। এর সময়কালটি একটি সুপরিকল্পিত এবং তীব্র মনস্তাত্ত্বিক আঘাত। মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো লাল গালিচা আর করমর্দন নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু ঠিক এই মুহূর্তে যে গতিশীল অর্থনৈতিক অভ্যুত্থান ঘটছে, সে বিষয়ে তারা সম্পূর্ণ অন্ধ। গ্রাউন্ড জিরো হলো একটি অত্যন্ত গোপনীয় জ্বালানি অবকাঠামো ম্যাট্রিক্স: 'পাওয়ার অফ সাইবেরিয়া ২' পাইপলাইন। ধারণক্ষমতা: বার্ষিক ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস। ইউরোপীয় বাজার থেকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে সরাসরি চীনের শিল্প খাতে যুক্ত করা হয়েছে। এটি কেবল একটি বাণিজ্য চুক্তি নয়। এটি একটি স্থায়ী ভূ-রাজনৈতিক একত্রীকরণ। ওয়াশিংটন যে তথ্যগুলো ধামাচাপা দিতে মরিয়া, সেগুলোর দিকে লক্ষ্য করুন, চীন-রাশিয়া বাণিজ্যের প্রায় ৯০% মার্কিন ডলারকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছে। বিষয়টি ৯০%। তারা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এবং ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস একচেটিয়াভাবে ইউয়ান এবং রুবেলে লেনদেন করছে। পাশ্চাত্যের প্রধান অস্ত্র, বৈশ্বিক সুইফট (SWIFT) ব্যাংকিং নিষেধাজ্ঞার জাল, এইমাত্র সম্পূর্ণরূপে অকেজো হয়ে গেছে। রাশিয়া কেবল নিষেধাজ্ঞাই পার করেনি; তারা বিশ্বের প্রধান উৎপাদনকারী পরাশক্তির সাথে মিলে একটি নিষেধাজ্ঞামুক্ত সমান্তরাল অর্থনীতি গড়ে তুলেছে। পশ্চিমা মুদ্রার আধিপত্যের সময় শেষ হয়ে আসছে। এটি একটি সক্রিয় কৌশলগত পরিবর্তন। মধ্যপ্রাচ্য যখন স্থায়ী অস্থিরতার মধ্যে আটকে আছে, বেইজিং তখন পশ্চিমা সামুদ্রিক অবরোধের বিরুদ্ধে একটি নিরঙ্কুশ ঢাল তৈরি করছে। মার্কিন নৌবাহিনী যদি সমুদ্রপথ বন্ধও করে দেয়, স্থলপথে সাইবেরিয়ান লাইফলাইনের মাধ্যমে চীনের এনার্জি গ্রিড সম্পূর্ণ সচল থাকবে। ক্ষমতা বনাম সত্যের সমীকরণটি এখন ভয়ংকরভাবে স্পষ্ট। গত ৮০ বছর ধরে বৈশ্বিক আধিপত্য একটি সহজ নিয়মের ওপর নির্ভরশীল ছিল: আপনাকে ডলারে তেল কিনতে হবে, নতুবা সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক ধ্বংসের সম্মুখীন হতে হবে। বেইজিং এবং মস্কো সবেমাত্র সেই নিয়মাবলি ছিঁড়ে ফেলেছে। তারা সক্রিয়ভাবে গ্লোবাল সাউথকে প্রমাণ করে দিচ্ছে যে আমেরিকার আর্থিক হাতুড়ি আর আঘাত হানতে পারবে না। এটি পশ্চিমা নিরাপত্তা কাঠামোর এক চরম লঙ্ঘন। যদি ডলার বিশ্বের অবিসংবাদিত রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার মর্যাদা হারায়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অভ্যন্তরীণ ঋণব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। হাইপারইনফ্লেশন বা চরম মুদ্রাস্ফীতি তখন আর কোনো দূরবর্তী তত্ত্ব থাকবে না; যখন এই পেট্রোডলারগুলো দেশে ফিরে আসবে, তখন এটি একটি অনিবার্য গাণিতিক সত্যে পরিণত হবে। এই শীর্ষ সম্মেলনের সময়কাল পশ্চিমা শক্তিগুলোর জন্য এক প্রকাশ্য উপহাস। চীন মাত্র এক বছরের ভগ্নাংশের মধ্যে প্রতিটি বড় বৈশ্বিক খেলোয়াড়কে আতিথেয়তা দিয়েছে: ম্যাক্রোঁ, স্টারমার, ট্রাম্প এবং এখন পুতিন। বেইজিং নিজেকে বিশ্বের নতুন মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে, আর পুরোনো বিশ্বব্যবস্থাকে ধূলিস্যাৎ করে দিচ্ছে। চীন অর্থনৈতিক এবং শিল্প খাতের অক্সিজেন সরবরাহ করে। রাশিয়া কাঁচামাল এবং অবাধ গতিশীল সম্পদের ভিত্তি সরবরাহ করে। একসাথে, তারা মহাদেশীয় স্তরের এমন এক জোট গঠন করছে যার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অসম্ভব এবং যা আটলান্টিক জোটের নাগালের সম্পূর্ণ বাইরে। মূলধারার বয়ান বিশ্বাস করাতে চায় যে এটি কেবল একটি সাময়িক উত্তেজনা। এটি একটি ডাহা মিথ্যা। আমরা একটি বহুমেরু কাঠামোর গাঠনিক সমাবেশ দেখছি, যা বিশেষভাবে সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধ সহ্য করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পুরোনো আর্থিক ব্যবস্থা চোখের সামনে ভেঙে পড়ছে। একঘরে করে রাখার বিভ্রম ভেঙে গেছে। অর্থনৈতিক দুর্গ নির্মিত হয়েছে, পাইপলাইনগুলো সচল রয়েছে এবং মুদ্রার ঢালগুলো সক্রিয়। এই পতন ঠেকানোর জন্য ওয়াশিংটনের হাতে আর কোনো অ-সামরিক বিকল্প অবশিষ্ট নেই। বিভাজনের রেখা টানা হয়ে গেছে।©রাজিক হাসান ----------------------------------------------------------------- লিখেছিলাম ১০ মে ২০২৬

Petro Dollar $$$

পেট্রোডলারের যুগ শেষ। বেইজিংয়ে যা ঘটল তা কোনো কূটনীতি নয়, এটি পশ্চিমা আর্থিক আধিপত্যের সমাপ্তি। পাঁচ দিন আগে, ওয়াশিংটন ভেবেছিল চীনের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আছে। আজ ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিংয়ে অবতরণ করেছেন। এর সময়কালটি একটি সুপরিকল্পিত এবং তীব্র মনস্তাত্ত্বিক আঘাত।
মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো লাল গালিচা আর করমর্দন নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু ঠিক এই মুহূর্তে যে গতিশীল অর্থনৈতিক অভ্যুত্থান ঘটছে, সে বিষয়ে তারা সম্পূর্ণ অন্ধ।
গ্রাউন্ড জিরো হলো একটি অত্যন্ত গোপনীয় জ্বালানি অবকাঠামো ম্যাট্রিক্স: 'পাওয়ার অফ সাইবেরিয়া ২' পাইপলাইন।
ধারণক্ষমতা: বার্ষিক ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস।
ইউরোপীয় বাজার থেকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে সরাসরি চীনের শিল্প খাতে যুক্ত করা হয়েছে।
এটি কেবল একটি বাণিজ্য চুক্তি নয়। এটি একটি স্থায়ী ভূ-রাজনৈতিক একত্রীকরণ। ওয়াশিংটন যে তথ্যগুলো ধামাচাপা দিতে মরিয়া, সেগুলোর দিকে লক্ষ্য করুন,
চীন-রাশিয়া বাণিজ্যের প্রায় ৯০% মার্কিন ডলারকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছে।
বিষয়টি ৯০%।
তারা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এবং ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস একচেটিয়াভাবে ইউয়ান এবং রুবেলে লেনদেন করছে।
পাশ্চাত্যের প্রধান অস্ত্র, বৈশ্বিক সুইফট (SWIFT) ব্যাংকিং নিষেধাজ্ঞার জাল, এইমাত্র সম্পূর্ণরূপে অকেজো হয়ে গেছে।
রাশিয়া কেবল নিষেধাজ্ঞাই পার করেনি; তারা বিশ্বের প্রধান উৎপাদনকারী পরাশক্তির সাথে মিলে একটি নিষেধাজ্ঞামুক্ত সমান্তরাল অর্থনীতি গড়ে তুলেছে।
পশ্চিমা মুদ্রার আধিপত্যের সময় শেষ হয়ে আসছে। এটি একটি সক্রিয় কৌশলগত পরিবর্তন। মধ্যপ্রাচ্য যখন স্থায়ী অস্থিরতার মধ্যে আটকে আছে, বেইজিং তখন পশ্চিমা সামুদ্রিক অবরোধের বিরুদ্ধে একটি নিরঙ্কুশ ঢাল তৈরি করছে। মার্কিন নৌবাহিনী যদি সমুদ্রপথ বন্ধও করে দেয়, স্থলপথে সাইবেরিয়ান লাইফলাইনের মাধ্যমে চীনের এনার্জি গ্রিড সম্পূর্ণ সচল থাকবে।
ক্ষমতা বনাম সত্যের সমীকরণটি এখন ভয়ংকরভাবে স্পষ্ট। গত ৮০ বছর ধরে বৈশ্বিক আধিপত্য একটি সহজ নিয়মের ওপর নির্ভরশীল ছিল: আপনাকে ডলারে তেল কিনতে হবে, নতুবা সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক ধ্বংসের সম্মুখীন হতে হবে। বেইজিং এবং মস্কো সবেমাত্র সেই নিয়মাবলি ছিঁড়ে ফেলেছে। তারা সক্রিয়ভাবে গ্লোবাল সাউথকে প্রমাণ করে দিচ্ছে যে আমেরিকার আর্থিক হাতুড়ি আর আঘাত হানতে পারবে না।
এটি পশ্চিমা নিরাপত্তা কাঠামোর এক চরম লঙ্ঘন। যদি ডলার বিশ্বের অবিসংবাদিত রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার মর্যাদা হারায়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অভ্যন্তরীণ ঋণব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। হাইপারইনফ্লেশন বা চরম মুদ্রাস্ফীতি তখন আর কোনো দূরবর্তী তত্ত্ব থাকবে না; যখন এই পেট্রোডলারগুলো দেশে ফিরে আসবে, তখন এটি একটি অনিবার্য গাণিতিক সত্যে পরিণত হবে।
এই শীর্ষ সম্মেলনের সময়কাল পশ্চিমা শক্তিগুলোর জন্য এক প্রকাশ্য উপহাস। চীন মাত্র এক বছরের ভগ্নাংশের মধ্যে প্রতিটি বড় বৈশ্বিক খেলোয়াড়কে আতিথেয়তা দিয়েছে: ম্যাক্রোঁ, স্টারমার, ট্রাম্প এবং এখন পুতিন। বেইজিং নিজেকে বিশ্বের নতুন মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে, আর পুরোনো বিশ্বব্যবস্থাকে ধূলিস্যাৎ করে দিচ্ছে।
চীন অর্থনৈতিক এবং শিল্প খাতের অক্সিজেন সরবরাহ করে।
রাশিয়া কাঁচামাল এবং অবাধ গতিশীল সম্পদের ভিত্তি সরবরাহ করে।
একসাথে, তারা মহাদেশীয় স্তরের এমন এক জোট গঠন করছে যার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অসম্ভব এবং যা আটলান্টিক জোটের নাগালের সম্পূর্ণ বাইরে। মূলধারার বয়ান বিশ্বাস করাতে চায় যে এটি কেবল একটি সাময়িক উত্তেজনা। এটি একটি ডাহা মিথ্যা। আমরা একটি বহুমেরু কাঠামোর গাঠনিক সমাবেশ দেখছি, যা বিশেষভাবে সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধ সহ্য করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
পুরোনো আর্থিক ব্যবস্থা চোখের সামনে ভেঙে পড়ছে। একঘরে করে রাখার বিভ্রম ভেঙে গেছে। অর্থনৈতিক দুর্গ নির্মিত হয়েছে, পাইপলাইনগুলো সচল রয়েছে এবং মুদ্রার ঢালগুলো সক্রিয়। এই পতন ঠেকানোর জন্য ওয়াশিংটনের হাতে আর কোনো অ-সামরিক বিকল্প অবশিষ্ট নেই। বিভাজনের রেখা টানা হয়ে গেছে।©রাজিক হাসান
-----------------------------------------------------------------
লিখেছিলাম ১০ মে ২০২৬
Artikel
Grundlagen der Krypto-ÖkonomieArtikel: Grundlagen der Krypto-Ökonomie ​Kryptowährung ist eine revolutionäre Klasse digitaler Vermögenswerte, die auf dem Fundament der Blockchain-Technologie aufgebaut ist. Im Gegensatz zu traditionellen Fiat-Währungen, die von Regierungen und Banken verwaltet werden, funktionieren Kryptowährungen als dezentrale Netzwerke: Sie ermöglichen sichere Peer-to-Peer-Transaktionen direkt zwischen Nutzern überall auf der Welt. Kernkomponenten der Krypto-Wirtschaft ​Blockchain: Ein dezentrales und unveränderliches digitales Register. Dieses System erfasst jede einzelne Transaktion in einem riesigen Netzwerk von Computern und gewährleistet so Transparenz und Sicherheit. Ein „Block“ enthält Daten und wird, sobald er verifiziert wurde, dauerhaft der „Kette“ hinzugefügt.

Grundlagen der Krypto-Ökonomie

Artikel: Grundlagen der Krypto-Ökonomie
​Kryptowährung ist eine revolutionäre Klasse digitaler Vermögenswerte, die auf dem Fundament der Blockchain-Technologie aufgebaut ist. Im Gegensatz zu traditionellen Fiat-Währungen, die von Regierungen und Banken verwaltet werden, funktionieren Kryptowährungen als dezentrale Netzwerke: Sie ermöglichen sichere Peer-to-Peer-Transaktionen direkt zwischen Nutzern überall auf der Welt.
Kernkomponenten der Krypto-Wirtschaft
​Blockchain: Ein dezentrales und unveränderliches digitales Register. Dieses System erfasst jede einzelne Transaktion in einem riesigen Netzwerk von Computern und gewährleistet so Transparenz und Sicherheit. Ein „Block“ enthält Daten und wird, sobald er verifiziert wurde, dauerhaft der „Kette“ hinzugefügt.
Übersetzung ansehen
#BinanceTradersLeagueSeason4 is Back: Trade Crypto, bStock & Futures to Share $4M worth of Rewards [https://www.binance.com/activity/trading-competition/202609tradersleague4?ref=472229080](https://www.binance.com/activity/trading-competition/202609tradersleague4?ref=472229080)
#BinanceTradersLeagueSeason4 is Back: Trade Crypto, bStock & Futures to Share $4M worth of Rewards https://www.binance.com/activity/trading-competition/202609tradersleague4?ref=472229080
Übersetzung ansehen
Same here bro
Same here bro
给老婆做煎蛋
·
--
Bärisch
Ich kann nicht mehr, ich wische heimlich meine Tränen weg, ich tue nur so, als wäre ich stark $RAVE $TRADOOR
200$ welcher ich in einer verlierenden Position bin, um einen Short-Trade auf $RAVE zu machen.
200$ welcher ich in einer verlierenden Position bin, um einen Short-Trade auf $RAVE zu machen.
X Sam 001
·
--
$RAVE
Ja 🙌 Nur 4 Gewinner 🏆 übrig
Ich bin heute sehr glücklich 😊❣️ $RAVE hat mich 161.000$ ....🥂
Übersetzung ansehen
My UID : 472229080
My UID : 472229080
X Sam 001
·
--
$RAVE
Ja 🙌 Nur 4 Gewinner 🏆 übrig
Ich bin heute sehr glücklich 😊❣️ $RAVE hat mich 161.000$ ....🥂
Übersetzung ansehen
May i 😊
May i 😊
X Sam 001
·
--
$RAVE
Nach 161.000$ , kann ich 10.000$ leicht TIP geben 💸🔥
Herzlichen Glückwunsch! 🎉 Nur noch 4 Gewinner 🏆 übrig
Übersetzung ansehen
Love with bless🤍
Love with bless🤍
X Sam 001
·
--
$RAVE
9.000$ an Gebühren 💸 werden unter 9 Gewinnern 🏆 unter 40 Personen verteilt!
#Congratulations !🔥
REGEL IST REGEL ✅ ausgezeichneter Kommentar
Übersetzung ansehen
Okay Thank you
Okay Thank you
Michael Bleiweiss f4nx
·
--
🚀 $RAVE AKTUALISIEREN 👀
Wie versprochen… sobald $RAVE $12 ❤️ erreicht, halte ich mein Wort.
💰 Ich werde $1.000 an 5 glückliche Personen verschenken
✅ Fair & transparent — Regel ist Regel
🎁 So funktioniert es:
5 Gewinner werden ausgewählt
Aus 50 aktiven Teilnehmern
Engagement zählt 👀
🔥 Bleib aktiv, bleib beteiligt — dein Zug könnte der nächste sein
$RAVE

🚀💎
Übersetzung ansehen
Great CZ
Great CZ
CZ
·
--
👀
Übersetzung ansehen
8JTPME9W
8JTPME9W
Der zitierte Inhalt wurde entfernt.
Anmelden und weiter Inhalte entdecken
Krypto-Nutzer weltweit auf Binance Square kennenlernen
⚡️ Bleib in Sachen Krypto stets am Puls.
💬 Die weltgrößte Kryptobörse vertraut darauf.
👍 Erhalte verlässliche Einblicke von verifizierten Creators.
E-Mail-Adresse/Telefonnummer
Sitemap
Cookie-Präferenzen
Nutzungsbedingungen der Plattform