The screenshot you saw is a hoax. There’s no authenticated email from Jeffrey Epstein about being Satoshi Nakamoto or starting Bitcoin. That claim isn’t supported by the official documents that have been released so far. Epstein did have some contact with crypto developers and made investments in the space later, but not as Bitcoin’s creator or author of the Satoshi identity. $BTC
بدأتُ التداول بـ ٢٢ دولارًا صباحًا. حققتُ ربحًا قدره ٥٨٠ دولارًا من خلال التداول المضاربي (Scalping) خلال ساعتين، لكن جهلي وجرأتي وجشعي أفسدا كل شيء.
لقد تعلمتُ درسًا رائعًا من هذا. كل يوم، أكتسب معرفةً وتقنياتٍ في تداول العقود الآجلة للعملات المشفرة. لستُ مُحبطًا أو يائسًا على الإطلاق. سأحقق ربحًا قريبًا إن شاء الله.
বিটকয়েনের সূচনালগ্ন থেকে অদ্যবধি দরের উত্থান-পতনের ইতিহাস
২০০৮ সালে বিটকয়েনের ধারণা জন্ম নেওয়া থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দামের বড় ওঠানামা, পেছনের কারণ এবং প্রতিটি ধাপের প্রেক্ষাপট সংখ্যানুক্রমিকভাবে তুলে ধরা হলো। এটা কোনো প্রচারমূলক লেখা না, বরং ইতিহাসভিত্তিক বাস্তব বিশ্লেষণ। বিটকয়েন: ২০০৮–২০২৬ উত্থান–পতনের তথ্যভিত্তিক সংখ্যানুক্রমিক প্রতিবেদন ১. ২০০৮–২০০৯ | জন্মপর্ব: ধারণা থেকে নেটওয়ার্ক ঘটনা: ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো “Bitcoin: A Peer-to-Peer Electronic Cash System” শ্বেতপত্র প্রকাশ করেন। দাম: কার্যত শূন্য কারণ ও প্রেক্ষাপট: বৈশ্বিক আর্থিক সংকট, ব্যাংকিং সিস্টেমের প্রতি অবিশ্বাস। বিটকয়েনের জন্মই হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মধ্যস্থতাকারী ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে। ২. ২০১০ | প্রথম মূল্য নির্ধারণ দাম: ~$0.003 → ~$0.08 ঘটনা: প্রথম বাস্তব লেনদেন (১০,০০০ BTC দিয়ে পিজ্জা কেনা)। কারণ: ওপেন সোর্স কমিউনিটি, টেক–নার্ডদের আগ্রহ। কোনো ইনস্টিটিউশনাল অংশগ্রহণ নেই। ৩. ২০১১ | প্রথম বুদবুদ ও ধস দাম: ~$1 → ~$31 → ~$2 কারণ: মিডিয়ার প্রথম নজর, Mt. Gox এক্সচেঞ্জের উত্থান, নিরাপত্তাহীনতা ও হ্যাকিং ভীতি। ফলাফল: মানুষ প্রথমবার “Bitcoin is dead” বলা শুরু করে। ৪. ২০১৩ | প্রথম বৈশ্বিক হাইপ দাম: ~$13 → ~$260 → ~$70 কারণ: সাইপ্রাস ব্যাংক সংকট, ক্যাপিটাল কন্ট্রোল। বাস্তবতা: বিটকয়েনকে প্রথমবার ‘ডিজিটাল গোল্ড’ হিসেবে দেখা শুরু। ৫. ২০১৪ | Mt. Gox ধস দাম: ~$1,000 → ~$400 ঘটনা: তখনকার সবচেয়ে বড় এক্সচেঞ্জ Mt. Gox দেউলিয়া। কারণ: দুর্বল কাস্টডি, কেন্দ্রীয় এক্সচেঞ্জ ঝুঁকি। শিক্ষা: “Not your keys, not your coins.” ৬. ২০১৭–২০১৮ | ICO বুদবুদ ও ক্রিপ্টো উইন্টার দাম: ~$1,000 → ~$19,800 → ~$3,200 কারণ: ICO উন্মাদনা, খুচরা বিনিয়োগকারীর অতিরিক্ত লিভারেজ। ২০১৮ ধসের কারণ: স্ক্যাম, রেগুলেটরি চাপ, তারল্য সংকট। ফল: বাজার থেকে দুর্বল প্রজেক্ট ঝরে পড়ে। ৭. ২০২০ | কোভিড ধাক্কা দাম: ~$9,100 → ~$4,000 কারণ: বৈশ্বিক লিকুইডেশন, সব অ্যাসেট একসাথে বিক্রি। টার্নিং পয়েন্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিপুল মুদ্রা ছাপানো। ফল: বিটকয়েনকে ইনফ্লেশন হেজ হিসেবে নতুন করে দেখা শুরু। ৮. ২০২১ | ইনস্টিটিউশনাল যুগ ও চীনের ক্র্যাকডাউন দাম: ~$30,000 → ~$69,000 → ~$30,000 কারণ (পাম্প): Tesla, MicroStrategy, PayPal, ফিউচার ETF। কারণ (ডাম্প): চীনে মাইনিং নিষেধাজ্ঞা, পরিবেশ বিতর্ক। বাস্তবতা: নেটওয়ার্ক ভাঙেনি, বরং মাইনিং বিকেন্দ্রীভূত হয়েছে। ৯. ২০২২ | লুনা–FTX ধ্বংসযজ্ঞ দাম: ~$69,000 → ~$15,000 কারণ: Terra–Luna অ্যালগরিদমিক স্টেবলকয়েন ধস FTX এক্সচেঞ্জ প্রতারণা ফল: আস্থার চরম সংকট, অতিরিক্ত লিভারেজের পরিণতি। ১০. ২০২৩–২০২৪ | পুনর্গঠন ও ETF যুগ দাম: ~$16,000 → ~$45,000 → ~$70,000+ কারণ: স্পট বিটকয়েন ETF অনুমোদন, হালভিং প্রত্যাশা। বাস্তবতা: বিটকয়েন এখন ম্যাক্রো অ্যাসেট। ১১. ২০২৫ | ট্যারিফ ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা দাম: ~$126,000 → ~$84,000 কারণ: বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ সুদের হার অনিশ্চয়তা চরিত্র: লাভ তুলে নেওয়া ও ঝুঁকি কমানো। ১২. ২০২৬ | বৈশ্বিক সেল-অফ ও রাজনৈতিক ঝাঁকুনি দাম: ~$88,000 → ~$60,000 কারণ: উচ্চ-প্রোফাইল রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট থেকে পুঁজি প্রত্যাহার বাস্তবতা: এটা নেটওয়ার্ক ব্যর্থতা না, বরং ম্যাক্রো রিস্ক রি-প্রাইসিং। বিটকয়েনের ইতিহাস মানেই শুধু দাম নয়। প্রতিটি ধস এসেছে ভিন্ন কারণে—কখনো প্রযুক্তিগত, কখনো মানবিক লোভ, কখনো রাষ্ট্রীয় বা বৈশ্বিক রাজনীতির প্রভাবে। কিন্তু একটি বিষয় অপরিবর্তিত থেকেছে: নেটওয়ার্ক চলছে সরবরাহ সীমিত বিশ্বাস ভেঙে পড়লেও প্রোটোকল ভাঙেনি বিটকয়েন বারবার “মরে গেছে” বলা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই তা আগের চেয়ে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। ইতিহাস বোঝা মানেই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা না, কিন্তু ইতিহাস উপেক্ষা করা মানেই একই ভুল বারবার করা। $BTC
⚠️ 🇨🇳 هل أكدت الصين وأحكمت موقفها الطويل الأمد المناهض للعملات المشفرة؟
⚠️ 🇨🇳 أكدت الصين وأحكمت موقفها الطويل الأمد المناهض للعملات المشفرة. هذه ليست حظراً جديداً مفاجئاً، بل إعادة تأكيد أقوى للسياسة الحالية. • تعتبر العملات المشفرة غير قانونية في الصين. ليس لها حالة نقدية أو حالة دفع. • تُصنف الأنشطة التجارية المتعلقة بالعملات المشفرة مثل منصات التداول، والمبادلات، والوساطة، والإصدار، والتسوية، والعملات المستقرة، والأصول المرمزة على أنها أنشطة مالية غير قانونية.
• يتم حظر المنصات الأجنبية للعملات المشفرة من تقديم خدماتها للمقيمين في البر الرئيسي للصين دون موافقة صريحة. يتم تعزيز التنفيذ ضد الخدمات الخارجية.
🕵️♂️ 2010: Hal Finney 🕵️♂️ 2012: Nick Szabo 🕵️♂️ 2014: Dorian Nakamoto 🕵️♂️ 2016: Craig Wright 🕵️♂️ 2018: Adam Back 🕵️♂️ 2020: Jack Dorsey 🕵️♂️ 2022: Elon Musk 🕵️♂️ 2024: Peter Todd 🕵️♂️ 2026: Epstein Who is really behind the Bitcoin’s greatest mystery? 👀
আতঙ্কের বাজার, দখলের রাজনীতি: বিটকয়েন কেন তাদের টার্গেট
ইতিহাস, অর্থনীতি আর সাম্প্রতিক ক্রিপ্টো বাজারের আচরণ মিলিয়ে দেখলে একটা সন্দেহ বেশ যৌক্তিক বলেই মনে হয়। বিষয়টি উদাহরণসহ তুলে ধরার চেষ্টা করি। পুঁজিবাদ কখনোই সরল পথে সম্পদ দখল করে না। তার আসল শক্তি বন্দুক বা ট্যাংকে নয়, শক্তি তথ্যের নিয়ন্ত্রণে, ভাষার দখলে, আর ভয় উৎপাদনের দক্ষতায়। ইতিহাসে যেসব সম্পদ প্রকৃত অর্থে মূল্যবান, সেগুলোর ক্ষেত্রেই প্রথমে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার চালানো হয়েছে। স্বর্ণ, তেল, হীরা, ইউরেনিয়াম কিংবা আজকের লিথিয়াম—সবখানেই প্যাটার্ন এক। বিটকয়েন সেই একই তালিকার নতুন সংযোজন। প্রথমে বলা হলো, এর কোনো অন্তর্নিহিত মূল্য নেই। তারপর বলা হলো, এটা অপরাধীদের মুদ্রা। এরপর পরিবেশ ধ্বংসের গল্প। এখন বলা হচ্ছে, নিয়ন্ত্রণ আসছে, নিষেধাজ্ঞা আসছে, সব শেষ। আশ্চর্যভাবে এসব বক্তব্য ঠিক তখনই জোরালো হয়, যখন বাজার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট এলাকায় পৌঁছায়। এটা কি কাকতাল? স্বর্ণের সাথে তুলনা করলে ছবিটা পরিষ্কার হয় একসময় স্বর্ণকে বলা হতো অনুৎপাদনশীল, পুরোনো যুগের ধাতু। সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়েছিল, আধুনিক অর্থনীতিতে স্বর্ণের দরকার নেই। ফলাফল কী হয়েছিল? খুচরা বিনিয়োগকারীরা বিক্রি করেছে, আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও কর্পোরেট ফান্ডগুলো নীরবে মজুদ বাড়িয়েছে। আজ সেই স্বর্ণই সংকটকালে শেষ ভরসা। বিটকয়েনের ক্ষেত্রেও একই নাটক চলছে। পার্থক্য শুধু এক জায়গায়—এটা রাষ্ট্রের সীমার বাইরে। ভয় তৈরি করা হয়, কারণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন বিটকয়েনের সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো, এটা কোনো সাম্রাজ্যের অনুমতি চায় না। এখানে কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাপ নেই, কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে রাতারাতি সরবরাহ বাড়ানো যায় না। এই বৈশিষ্ট্যটাই পুঁজিবাদী কেন্দ্রগুলোর জন্য সবচেয়ে অস্বস্তিকর। তাই তারা সরাসরি নিষিদ্ধ করতে পারে না। কারণ প্রযুক্তি নিষিদ্ধ করা যায় না, শুধু ব্যবহারকারীকে ভয় দেখানো যায়। এই ভয়টা কার জন্য? ছোট লগ্নিকারকের জন্য। যিনি খবরের শিরোনাম দেখেন, বিশ্লেষণ না করে আতঙ্কে বিক্রি করেন। আর সুযোগটা কার জন্য? যারা তথ্য আগেই জানে। যারা জানে, কোন সংবাদটা আসছে, কখন আসছে, আর বাজার কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। ২০২০ সালের কোভিড ধস এর ক্লাসিক উদাহরণ। তখন বলা হয়েছিল, বিটকয়েন ব্যর্থ হয়েছে। অথচ ঠিক সেই সময়েই বড় বড় ফান্ড, কর্পোরেট ট্রেজারি আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা প্রবেশ শুরু করে। কয়েক বছর পর তারাই আবার বলল, বিটকয়েন ডিজিটাল গোল্ড। এই দ্বিচারিতা কোনো ভুল নয়, এটা কৌশল। মিডিয়া এখানে নিরপেক্ষ নয় পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় মিডিয়া খুব কম ক্ষেত্রেই নিরপেক্ষ থাকে। যাদের হাতে মূলধন, তাদের বয়ানই প্রচারিত হয়। তাই বিটকয়েন যখন সাধারণ মানুষের হাতে থাকে, তখন সেটা বিপজ্জনক। আর যখন ধীরে ধীরে বড় খেলোয়াড়দের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়, তখন সেটাই বৈধ, নিরাপদ, ইনস্টিটিউশনাল অ্যাসেট হয়ে ওঠে। ভাষা বদলায়, অবস্থান বদলায়, কিন্তু লক্ষ্য বদলায় না—নিয়ন্ত্রণ। তাহলে সাধারণ লগ্নিকারকের করণীয় কী? প্রথমত, আতঙ্ক আর বাস্তবতাকে আলাদা করতে শেখা। দ্বিতীয়ত, বুঝতে হবে ইতিহাস কখনো হুবহু ফিরে আসে না, কিন্তু ছক বদলায় না। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রশ্ন করতে হবে—যে সম্পদকে নিয়ে এত ভয় ছড়ানো হচ্ছে, সেটাই কেন আবার সবচেয়ে শক্তিশালী ফিনান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানগুলো নীরবে সঞ্চয় করছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজলেই অনেক প্রচারণার মুখোশ খুলে পড়ে। শেষ কথা বিটকয়েন শুধু একটি ডিজিটাল সম্পদ নয়। এটা ক্ষমতার ভারসাম্যের প্রশ্ন। তাই এটাকে ঘিরে লড়াই শুধু চার্টের নয়, এটা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং আদর্শিক লড়াই। ইতিহাস বলে, আতঙ্ক যাদের মধ্যে ছড়ানো হয়, সম্পদ তাদের হাতেই থাকে না। প্রশ্ন হলো, এবারও কি আমরা সেই পুরোনো ভূমিকা পালন করবো, নাকি ভয়কে পাশ কাটিয়ে বাস্তবতা বোঝার সাহস দেখাবো? এই সিদ্ধান্তটাই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে, বিটকয়েন কার সম্পদ হয়ে থাকবে।
من المحتمل أن لا يكون الانهيار الأخير للعملات المشفرة هو النهائي
لقد محى الانهيار الأخير في سوق العملات المشفرة قيمة هائلة وزعزع ثقة المستثمرين، لكن الأدلة تشير إلى أن هذا قد يكون تصحيحًا في منتصف الدورة بدلاً من القاع النهائي. انخفضت عملة البيتكوين (BTC) والإيثيريوم (ETH) بشكل حاد حيث أدت الرافعة المالية العالية، تصفية المشتقات، وتقلص السيولة إلى عمليات بيع متتالية. وفقًا لتقارير من بلومبرغ، Securities.io، وCoinDCX، تم محو أكثر من 12345678901 تريليون من إجمالي القيمة السوقية للعملات المشفرة خلال الانخفاض الأخير، الذي تم دفعه بشكل كبير من خلال عمليات تصفية قسرية في أسواق العقود الآجلة وتفكيك سريع للمراكز الطويلة المفرطة.
Bitcoin is pulling back, but capital is rotating into select altcoins. KITE, DUSK, ARPA and some others are pumping due to relative strength, higher short-term volume, and speculative rotation while BTC consolidates or dumps. This is a classic BTC–alt divergence, where traders temporarily seek higher beta opportunities rather than exiting the market.
The move is not a full altseason, but a localised momentum play. As long as BTC does not crash aggressively, these alts can continue short-term upside. However, volatility and reversal risk remain high, so disciplined risk management is essential. $BTC $KITE $DUSK