সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: ২০০৮ সালে 'সাতোশি নাকামোতো' ছদ্মনামের কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিটকয়েনের ধারণাপত্র (Whitepaper) প্রকাশ করেন এবং ২০০৯ সালে এটি চালু হয়।
বিকেন্দ্রীকরণ (Decentralized): বিটকয়েনের ওপর কোনো দেশের সরকার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেই। এটি একটি পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরাসরি ব্যবহারকারীদের মধ্যে লেনদেন হয়।
ব্লকচেইন প্রযুক্তি: বিটকয়েনের সমস্ত লেনদেন ব্লকচেইন (Blockchain) নামক একটি উন্মুক্ত ও বিশ্বস্ত ডিজিটাল লেজারে লিপিবদ্ধ থাকে, যা হ্যাক করা বা পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন।
সীমিত সরবরাহ: বিটকয়েনের মোট সরবরাহ ২১ মিলিয়ন (২ কোটি ১০ লাখ) এ নির্ধারিত। এই সীমিত সরবরাহের কারণে একে প্রায়ই "ডিজিটাল গোল্ড" বলা হয়ে থাকে।
মাইনিং (Mining): নতুন বিটকয়েন তৈরি এবং লেনদেন ভেরিফাই করার প্রক্রিয়াকে মাইনিং বলা হয়। জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে মাইনাররা বিটকয়েন তৈরি করেন।
ক্ষুদ্রতম একক: একটি পূর্ণাঙ্গ বিটকয়েন কেনা বাধ্যতামূলক নয়। বিটকয়েনের সবচেয়ে ছোট অংশকে সাতোশি (Satoshi) বলা হয় (১ BTC = ১০ কোটি Satoshi)।
মূল্যের ওঠানামা ও ঝুঁকি: বাজারে চাহিদা ও যোগানের ওপর ভিত্তি করে বিটকয়েনের দাম খুব দ্রুত ওঠানামা করে, ফলে এতে বিনিয়োগ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
