বাংলাদেশে অনলাইন থেকে লোন বা ডিজিটাল ঋণ পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ যেমন বিকাশ লোন বা ব্যাংকগুলোর নির্দিষ্ট অ্যাপ (যেমন ব্র্যাক ব্যাংক) ব্যবহার করতে পারেন। সাধারণত এনআইডি কার্ড ও সচল মোবাইল নম্বর দিয়ে ঘরে বসেই জামানত ছাড়া ৫০,০০০ থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ঋণের জন্য আবেদন করা যায়। [1, 2, 3]
অনলাইন লোনের মাধ্যম ও প্রক্রিয়া
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস: বিকাশ বা নগদ-এর মতো এমএফএস অ্যাপের ‘লোন’ অপশনে গিয়ে যোগ্যতাবলে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট অংকের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে আনা যায়। [1, 2]
ব্যাংকের ডিজিটাল অ্যাপ: ব্র্যাক ব্যাংকসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য অ্যাপভিত্তিক ইনস্ট্যান্ট বা ডিজিটাল ঋণের সুবিধা দিয়ে থাকে। [1, 2]
প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট: বিভিন্ন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে পার্সোনাল লোনের অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করা যায়। [1, 2]
প্রয়োজনীয় শর্ত ও কাগজপত্র
জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর স্পষ্ট এনআইডি কার্ডের কপি বা নম্বর।
সক্রিয় অ্যাকাউন্ট: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা নিবন্ধিত মোবাইল ওয়ালেট নম্বর।
আয় ও পেশাগত প্রমাণ: স্যালারি সার্টিফিকেট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ব্যবসার ভিজিটিং কার্ড (বড় অংকের লোনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়)।
বয়সসীমা: সাধারণত বয়স ২১ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে হতে হয়। [1, 2, 3]
আপনি যদি নির্দিষ্ট কোনো মাধ্যম থেকে লোন নিতে চান, তবে জানাতে পারেন:
আপনি কি মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন বিকাশ) নাকি ব্যাংক অ্যাপ থেকে লোন খুঁজছেন?
আপনার আনুমানিক কত টাকার লোন প্রয়োজন?
